সারাদেশ একযোগে চলছে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন ২০১৪। শনিবার সকাল ৮ টায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। চলবে বিকাল ৪টা পর্যন্ত।
১লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রসহ অতিরিক্ত ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন চলছে।
জানা গছে, প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লে পরবর্তী ৪ দিন বাড়ি বাড়ি গিয়ে ওই সব শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দিয়েছেন।
ক্যাম্পেইনে সারা দেশে প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানো হবে। ছয় মাস থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুকে একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।
একই সঙ্গে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন থেকে শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর জন্য পুষ্টিবার্তা প্রচার করা হবে।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন,দীর্ঘদিন যাবৎ জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান শিশুদের ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবজনিত সমস্যা সমাধানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের রাতকানা এবং অন্ধত্বজনিত অপুষ্টি সমস্যা প্রতিরোধে তাদের এই প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।
একই সঙ্গে স্বাস্থ্য,জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরের কর্মসূচির অধীন জাতীয় পুষ্টি সেবা (এনএনএস)-এর কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করবে বলে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,রাতকানা রোগ এবং অন্ধত্ব একটি অপুষ্টিজনিত সমস্যা,যা ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে হয়। সরকার সব ধরনের অপুষ্টি রোধে জাতীয় পুষ্টিসেবা কার্যক্রমসহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে বলেন,১৯৭৪ সাল থেকে দেশে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে বছরে দুবার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। এর ফলে রাতকানা রোগের হার ৩.৭৬ শতাংশ থেকে বর্তমানে ০.০৪ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
[b]ঢাকা, ৫ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]