খুনের মামলার বাদী হলাম আমি। কিন্তু আমার বক্তব্য না নিয়ে অন্যদের বক্তব্য, মন্তব্য নেওয়া হচ্ছে। তাই সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ কে কি বললো তাতে কান না দিয়ে বুঝে শুনে লিখবেন যাতে মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে না যায়। নারায়ণগঞ্জে সাত খুনের ঘটনায় নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ নিহতদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠানের আগে বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত মনিরুজ্জামান স্বপন, লিটন, তাজুল ইসলাম ও জাহাঙ্গীরের পরিবারের সদস্যরাও।
নিহত প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের ভাই আব্দুস সালাম উপস্থিত থাকলেও তার শ্বশুর শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন না।
হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মূলত গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলে আসছেন নজরুলের শ্বশুর শহীদুল ইসলাম যার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মানববন্ধন হয়েছে। এছাড়া শহীদুল একেক সময়ে একেক কথাও বলেন। কখনো তিনি এ ঘটনার জন্য শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন, কখনো আবার সে অবস্থা থেকে ফিরে আসেন।
বিউটি আরো বলেন, আমার স্বামীকে যারা নির্মমভাবে হত্যা করেছে। সবাই দোয়া করবেন আমার স্বামীর হত্যার বিচার হয়। আমার স্বামী প্রতিদিন সকালে বাসা থেকে বের হয়ে কার বাড়িতে খাবার নেই, কার মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেন না - এসব কাজ নিয়ে সারাদিন ব্যাস্ত থাকতেন। আমার জানা মতে, আমার স্বামী কোন অপরাধ করেননি। সবাই আমার স্বামীর জন্য দোয়া করবেন। আমার স্বামী নির্মম হত্যার বিচার পেতে ঠিক মতো যেনো লড়তে পারি। আপনারা আমার পাশে থাকবেন। আর খুনিদের ফাঁসি চাই। যেখানে যত বড় হাত থাকুক। আল্লাহ যেন তাদেরকে ধ্বংস করে দেন।
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থেকে একসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়র-২ নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, লিটন, নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিম অপহৃত হন। পরদিন ২৮ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নজরুল ইসলামের স্ত্রী। কাউন্সিলর নূর হোসেনকে প্রধান করে মামলায় আসামি করা হয় মোট ১২ জনকে। গত ৩০ এপ্রিল বিকেলে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জন এবং ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সবারই হাত-পা বাঁধা ছিল। পেটে ছিল আঘাতের চিহ্ন। প্রতিটি লাশ ইটভর্তি দুটি করে বস্তা বেঁধে ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
এ হত্যাকান্ডের ঘটনায় র্যাব-১১ এর কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করেন নিহত প্যানেল মেয়র নজরুলের পরিবারের সদস্যরা। প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের শ্বশুর অভিযোগ করেন, ৬ কোটি টাকার বিনিময়ে র্যাবকে দিয়ে ওই সাতজনকে হত্যা করিয়েছেন নূর হোসেন। এর পর থেকেই নূর হোসেন পলাতক রয়েছেন।
[b]ঢাকা, ৩০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এএইচ[/b]
শ্রেণীহীন
বাদী আমি বক্তব্য নেয়া হচ্ছে অন্যদের: নজরুলের স্ত্রী বিউটি
খুনের মামলার বাদী হলাম আমি। কিন্তু আমার বক্তব্য না নিয়ে অন্যদের বক্তব্য, মন্তব্য নেওয়া হচ্ছে। তাই সাংবাদিক ভাইদের কাছে অনুরোধ কে কি বললো তাতে কান না দিয়ে বুঝে শুনে লিখবেন যাতে মামলার তদন্ত ভিন্ন খাতে না যায়।





