[b]ঢাকা:[/b]  গেল বছর অসৎ ব্যাংকিংয়ে আর্থিক খাতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। ব্যাংক কর্মকর্তা এবং পরিচালনা পর্ষদের অনৈতিকতা ও অব্যবস্থাপনায় সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। দেশের বর্ধিষ্ণু বেসরকারি খাতে নেমে আসে স্থবিরতা। এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণশ্রেণিকরণের নতুন নীতিমালায় ব্যাংকগুলো চরম অস্বস্তিতে পড়ে। এতে অনেক ব্যাংক প্রয়োজনীয় প্রভিশন ও নগদ জমা রাখতে পারেনি। বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতিতে বেকায়দায় পড়ে সরকার। ব্যাংকিং খাতে বছরজুড়ে তারল্যের অভাব না থাকলেও নতুন কোনো বিনিয়োগ হয়নি। এতে আন্তঃব্যাংক (কলমানি) মার্কেটের ওপরও কোনো চাপ পড়েনি। অন্যদিকে আমদানি কমে যাওয়া ও রেমিট্যান্স নেতিবাচক ধারার মধ্যে কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে আসায় রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ জমা পড়ে। তবে বিপুল পরিমাণ অর্থ অচল থাকা এবং ডলারের দরপতনে মূল্যস্ফীতিতে আঘাত হেনেছে।
২০১৩ সালে ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে আলোচিত অর্থ কেলেঙ্কারি হল বিসমিল্লাহ গ্রুপ ও আনন্দ শিপইয়ার্ডের ঋণ জালিয়াতি। এসব প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকের পাশাপাশি প্রধানত অর্থায়ন করেছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলো। অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে স্বীকৃত বিল ক্রয়, ভুয়া ঋণ সৃষ্টি ও রফতানি না করেও সরকারি নগদ সহায়তার সুবিধা উত্তোলনের মাধ্যমে কয়েকটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় বিসমিল্লাহ গ্রুপ। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারস বাংলাদেশের (এবিবি) ভাইস চেয়ারম্যান ও পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেলাল আহমেদ চৌধুরী বলেন, দেশের অনিশ্চয়তার জন্য অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর [/b]