[b]ঢাকা: [/b]বিরোধী দলের হরতাল-অবরোধের মধ্যেও সরকার ভোটের দিন দেশের ‘প্রায় সব জায়গায়’ সহিংসতা প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।
রোববার রাতে এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে জয় বলেন, বিএনপি-জামায়াত তাদের হামলা অব্যহত রেখেছে। তারা কিছু ভোটকেন্দ্র ও নিরীহ নাগরিকদের গায়ে অগ্নিসংযোগ করেছে,একজন নির্বাচনী কর্মকর্তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে এবং অন্য একজনের হাত ভেঙ্গে দিয়েছে। তারা আওয়ামী লীগের কর্মী ও কয়েককজন ভোটারকে ছুরিকাঘাত করেছে এবং হামলা চালিয়েছে।
“সৌভাগ্যজনকভাবে সরকার প্রায় সব জায়গায় সহিংসতা প্রতিরোধে সক্ষম হয়েছে। ১৮০০০ এর মাঝে মাত্র ১৬০ বা তার কাছাকাছি ভোটকেন্দ্র আক্রান্ত হয়েছে যা প্রায় ০.৮%। আনুমানিক ১০,০০০ স্থানীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক, কিছু দক্ষিণ এশিয়ান নির্বাচন পর্যবেক্ষক, ২০ বা তার কাছাকাছি টিভি চ্যানেল, অগণিত সংবাদপত্র এই নির্বাচন নিরীক্ষণ করেছে। কোনো ধরনের নির্বাচনী অনিয়ম হয়েছে বলে রিপোর্ট হয়নি।”
জয় বলেন, হামলার ভয়ে দিনের শুরুতে ভোট পড়ার হার কম ছিল। ‘বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী হামলা’ না হলে এই হার ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারত।
“আমি সেইসব ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা সেই চেতনাকে ধারণ করে বের হয়ে এসেছেন এবং ভোট দিয়েছেন। আপনারা গণতন্ত্রের পক্ষে; সন্ত্রাস এবং মৌলবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।”
একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ দিয়ে জয় বরেন, “এটা ছিলো সন্ত্রাসের মুখে তাদের অসাধারণ সংগ্রাম।”