মানুষ, প্রকৃতি ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্বের রক্ষার জন্য আমাদের সুন্দরবনকে ভালবাসতে হবে। সুন্দরবন কেবল প্রাকৃতিক সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি লক্ষ মানুষের জীবিকার অন্যতম উৎস। তাই একে রক্ষা করার জন্য আরো গণসচেতনতা বাড়িয়ে সঠিকভাবে এর ধ্বংশকারীদের মোকাবেলা করতে হবে।
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে কয়েকটি পরিবেশবাদী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এক র্যা লিপূর্ব সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সাল থেকেই আমরা ১৪ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবন দিবস হিসেবে পালন করে আসছি। সুন্দরবন আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজনীয় তা প্রাকৃতিক দুর্যোগে সিডর, আইলা ও নার্গিসে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সুন্দরবন তার প্রাকৃতিক শক্তি নিয়ে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, আমাদের দেশকে নিয়ে প্রতিনিয়তই শুধু নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ হয়। কয়েকদিন আগেও আমাদরে ঢাকা নগরীকে বিশ্বের অন্যতম বসবাসের অযোগ্য নগরী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ জন্য আমরা যদি সুন্দরবনকে রক্ষা করতে না পারি তবে পুরো দেশটিই বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
বাপার সাধারণ সম্পাদক ডা. আব্দুল মতিন বলেন, জনগণের স্বার্থের বাইরে গিয়ে অন্য কারো স্বার্থে সুন্দরবনকে ধ্বংস করতে দেয়া হবে না। সুন্দরবন রক্ষার জন্য আমরা সজাগ আছি, ভবিষ্যতেও থাকব।
র্যা লিতে অংশ নেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা), সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশন, গ্রিন ভয়েস, বাগেরহাট ডেভেলপমেন্ট কমিটি, বেলা ও টিআইবির সদস্যরা।
র্যা লি পূর্ব সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন,বেলার প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট ইকবাল কবীর, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকী, টিআইবির প্রতিনিধি মহুয়া রউফ প্রমুখ।
পরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে একটি র্যা লি বের হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]