সরকারী প্লট বানিজ্য, জালিয়াতি ও দখলের প্রতিযোগিতায় এবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ক্লিনারও রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে আসছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে সরকারী প্লট কেলেংকারির ঘটনায় ব্যাপক অনুসন্ধান ও তদন্তে কাজ করছেন দুদকের একাধিক কর্মকর্তা।
দুদক সূত্রে জানা যায়, ওই মন্ত্রনালয়ের সাবেক মন্ত্রী আবদুল মান্নান খান, সাবেক সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনের পর এবার ক্লিনার মোসাম্মৎ হাসিনা বেগমের বিরুদ্ধে সরকারী প্লট বানিজ্য ও জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।
এদিকে দুদকের উপপরিচালক ফাতিমা সরকার গত ২৩ মার্চ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দফতরে তথ্য উপাত্ত চেয়ে একটি চিঠি পাঠান। ওই চিঠিতে ৩০ মার্চের মধ্যে গণপূর্ত বিভাগের ক্লিনার মোসাম্মৎ হাসিনা বেগমের বিরুদ্ধে জাল দলিল তৈরি করে বারিধারায় জাতিসংঘ সড়কের পশ্চিমে পার্ক রোডে ১ হাজার ৬৫০ বর্গফুট সরকারী সম্পদ জবর দখল সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সরবরাহের অনুরোধ জানান।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, ক্লিনার হাসিনা বেগমের দখলকৃত জমিটি কার নামে বরাদ্দ এবং বর্তমানে কী অবস্থায় আছে এ নিয়ে কোনো মামলা হয়েছে কিনা তার বিবরণ জানতে চাওয়া হয়েছে। কারণ মূল্যবান এই সরকারী জমিটি গ্রাস করার জন্যই জাল দলিল তৈরি করা হয়েছে। অফিসিয়াল নথিপত্র পেলে পর্যালোচনা করে দুদকের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান দুদক ওই কর্মকর্তা ।
জানা যায়, অনেক আগে থেকেই সরকারী প্লট বানিজ্য ও নানা অনিয়মের ঘটনায় রাজউকের সাবেক ও বর্তমান চেয়ারম্যান, প্রকৌশলী, বোর্ডের সদস্য, কর্মচারী নেতা এবং গণপূর্ত দফতরের প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে একাধিক টিম অনুসন্ধান ও তদন্ত করছে।
দুদকের কর্মকর্তারা জানান, লাখ লাখ টাকা মূল্যের সরকারী প্লট বাগিয়ে নেয়ার জন্য পরিকল্পিতভাবে সরকারী কর্মকর্তারা নানা অনিয়মের আশ্রয় নেন।
সাবেক সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনকে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দ দেয়ার ঘটনায় রাজউকের ওই মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ক্লিনার রয়েছে।
এদিকে দুদক উপ-পরিচালক যতন কুমার রায় গত ১২ মার্চ ওই মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনকে অবৈধভাবে প্লট বরাদ্দের ঘটনায় রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ আলম এবং বোর্ড সভার সদস্য গণপূর্ত অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী আজিজুল হক, একেএম হারুন, ডিএনসিসির সাবেক প্রশাসক আখতার হোসেন, নাজমূল হাই, নাসির উদ্দিন এবং রেজাউল করিমকে দুদকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।
এর আাগে সাবেক মন্ত্রী আবদুল মান্নান খানকে সরকারী প্লট বানিজ্য এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজউকের বর্তমান চেয়ারম্যান প্রকৌশলী নূরুল হুদা এবং গত ৫ মার্চ প্লট গ্রহিতা সাবেক পূর্ত সচিব ড. খন্দকার শওকত হোসেনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
[b]ঢাকা, একে,২৯ মার্চ (টাইম নিউজ বিডি.কম) // কেবি[/b]
শ্রেণীহীন
গণপূর্ত ভবনের ক্লিনারের বিরুদ্ধে সরকারী প্লট জালিয়াতির অভিযোগ
সরকারী প্লট বানিজ্য, জালিয়াতি ও দখলের প্রতিযোগিতায় এবার গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ক্লিনারও রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে আসছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে





