[b]ঢাকা:[/b] নব্বই দশকের অন্যতম সুপারহিট চলচ্চিত্র সোহরাব রুস্তমের হিট নায়িকা বনশ্রী। মুক্তি-পরবর্তী ছবিটি ব্যাপক ব্যবসাসফলও হয়েছিল। নায়িকা বনশ্রীরও ভাগ্যের পরিবর্তন হয় ছবির মতই। দামি গাড়িতে ভ্রমণ, বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষেই কেটেছে বনশ্রীর সেই সোনালী দিনগুলো।
বহু বছর পর আবারো খোঁজ মেলে সেই বনশ্রীর। এক সময়ের সাড়া জাগানো এই চিত্রনায়িকা রাজধানীর ফুটপাতে কিংবা চলন্ত বাসে যাত্রীদের কাছে নামাজ শিক্ষার বই বিক্রি করে দিন যাপন করেন।
কয়েক মাস আগে বেশ কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং দৈনিক পত্রিকায় এক সময়কার সাড়া জাগানো নায়িকা বনশ্রীকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়।
সাবেক অভিনেত্রী বনশ্রীর বর্তমান হকার জীবনের দুঃখ-দুর্দশার কথা ফলাও করে তুলে ধরা হলেও কেউ করতে এগিয়ে আসেননি। বিষয়টি যখন আড়ালে চলে যাচ্ছিল,তখনই এলেন নায়ক অনন্ত জলিল। গত শুক্রবার তাঁর পক্ষ হতে নায়িকা বনশ্রীকে প্রদান করা হয় আর্থিক সাহায্য।
এক সময়ের বিতর্কিত প্রযোজক ফারুক ঠাকুর বনশ্রীকে নিয়ে নির্মাণ করেছিলেন ‘সোহরাব-রুস্তম' ছবিটি। তখন বনশ্রী ফারুক ঠাকুরের বিবাহিত স্ত্রী ছিলেন বলেও গুঞ্জন ছিল। ফারুক ঠাকুর চেয়েছিলেন বনশ্রী হবে এদেশের প্রথম সারির একজন নায়িকা। এজন্য তিনি বনশ্রীর জন্য ছবিতে বিনিয়োগও করেছিলেন। সোহরাব-রুস্তমের পর বনশ্রী অভিনীত ‘নেশা' ও ‘মহাভূমিকম্প' নামের আরও দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। শুটিং শুরু হয়েছিল ‘প্রেম বিসর্জন', ‘নিষ্ঠুর দুনিয়া' ও ‘ভাগ্যের পরিহাস' ছবির।
ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বনশ্রী আজ তিন বছরের শিশু সন্তানকে নিয়ে ফেরি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।