বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা নির্বাচনের স্থগিত পাঁচ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ করা হবে সোমবার।
কেন্দ্রগুলো হলো- সুকানপুকুর উচ্চবিদ্যালয়, কর্পুর উচ্চবিদ্যালয়, চারালকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ আটকরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও নওদাবগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এসব কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯৬। ১৯ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে গোলযোগের কারণে এসব কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সোনাতলা উপজেলা নির্বাচনে ৪৯ ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৪ কেন্দ্রে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত এ কে এম আহসানুল তৈয়ব জাকির (মোটরসাইকেল) ২১ হাজার ৭৩২ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯১৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আবু মোহাম্মদ জিয়াউল করিম শ্যাম্পু (আনারস) পেয়েছেন ২৮ হাজার ১৮৩ ভোট। ভোটগ্রহণের দিন গোলযোগের কারণে পাঁচ কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। এসব কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯৬। ভোটের ব্যবধান বেশি থাকায় চেয়ারম্যান পদে আহসানুল তৈয়ব জাকিরকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণ করা হয়।
ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ভোটের ব্যবধান কম থাকায় এ দুটি পদে ভোটগ্রহণ করা হবে।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মণ্ডল পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৯৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ কে এম সাকিল রেজা পেয়েছেন ২৫ হাজার ৭৩০ ভোট। এনামুল হক মণ্ডল এগিয়ে আছেন ৪ হাজার ১৬৫ ভোটে। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মোছা. রঞ্জনা পেয়েছেন ২৬ হাজার ১০৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের লতা খাতুন পেয়েছেন ২২ হাজার ৪৯৬ ভোট।
সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফসার উত্তর কুমার জানান, ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাঁচ কেন্দ্রের জন্য পাঁচজন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন এবং পাঁচ কেন্দ্রের সামগ্রিক বিষয় মনিটরিংয়ের জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। প্রতি কেন্দ্রে ১০ জন পুলিশ এবং ১২ জন করে আনসার দায়িত্ব পালন করবেন। ওসির নেতৃত্বে প্রতি দুটি কেন্দ্রের জন্য একটি করে টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
[b]ঢাকা, ১ মার্চ (টাইমনিউজবিড.কম) // জেআই[/b]