[b]ঢাকা:[/b] বাংলাদেশি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার কারণে বেশ ভোগান্তিতে পড়েছেন মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানো প্রবাসীরা। দেশটিতে অবস্থানকারী শ্রমিকরা যথা সময়ে দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারছেন না। ফলে মালয় সরকারের ঘোষিত ৬পি প্রোগ্রামের আওতায় আসতে পারেনি অনেক শ্রমিক।
তাদের অভিযোগ, ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করতে চান না বাংলাদেশি দূতাবাসের সাথে সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা বলেছেন, পুলিশ রিপোর্ট আসেনি। তাই পাসপোর্ট ডেলিভারি দেয়া যাচ্ছেনা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়,পাসপোর্টের আবেদন করার পর দূতাবাসের কর্মকর্তারা ডিএসবির রিপোর্টের  জন্য জেলা বিশেষ শাখা পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিবেদন পাঠান। এরপর ডিএসবির জেলা বিশেষ শাখা থেকে গোপনে তদন্তকালে থানা ও ডিএসবির রেকর্ড পর্যালোচনায় আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোন রাষ্ট্রদ্রোহী বা বিরোপ কোন কাজে লিপ্ত নয় বলে প্রতিবেদন দাখিল করার পর ও  সময় মত পাসপোর্ট পাচ্ছেননা শ্রমিকরা। পাসপোর্ট না পাওয়ায় মালয় সরকারের ঘোষিত ৬পি প্রোগ্রামের  পারমিট করতে পারছেনা অনেকে। এতে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট প্রবাসী শ্রমিকরা।
জানা যায়,মালয়েশিয়ায় অবৈধ ভাবে অবস্থানকারী শ্রমিকদের বৈধতা দেয়ার লক্ষে মালয় সরকারের ঘোষিত ৬পি প্রোগ্রামের আওতায় আসতে পারেনি অনেক শ্রমিক।  আবার অনেকে পাসপোর্ট না পাওয়ার বেদনায় ক্ষোভে ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে চলে আসছে।
প্রবাসীরা অভিযোগ করে বলেন,বাংলাদেশি দূতাবাসে এখন প্রকাশ্যে দালালি চলছে। ফিঙ্গার প্রিন্ট জাল হওয়ার কারণে কী করতে হবে সেটা জানতে হাই কমিশনে গেলে  দূতাবাসের ভেতরে প্রেবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছেনা। অথচ কেউ কেউ ডিজিটাল পাসপোর্ট ফি ১১৬ রিংগিতের বিপরীতে কমিশনের  চার'শ থেকে পাচ'শ রিংগিতের বিনিময়ে ১ দিনেই ফিঙ্গার প্রিন্ট করিয়ে নিচ্ছেন।
এ ব্যাপারে হাই কমিশনে যোগাযোগ করা হলে দূতাবাসের কর্তারা অভিযোগটি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তারা বলছেন আগামি ২১ জানুয়ারি ৬পি প্রোগ্রামে প্রতারিত শ্রমিকদের বৈধতা দিতে সময় বেধে দিয়েছে । সে প্রেক্ষিতে দূতাবাস থেকে হাতের লেখা পাসপোর্ট দেয়া হচ্ছে। যাতে করে প্রতারিত শ্রমিকরা বৈধ হতে পারে।