হলমার্ক   গ্রুপের  ঘনিষ্ট ২ প্রতিষ্ঠানের  ১৪ মামলার চার্জশিট দাখিলের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। একই সঙ্গে অপর ১ প্রতিষ্ঠানের ৩ মামলায় আত্মসাতকৃত টাকা আদায় হওয়ায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
রোববার দুদকের নিয়মিত বৈঠকে চার্জশিট দাখিলের এ অনুমোদন দেয়া হয়। শিগগিরই এ ১৪ মামলায় ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে।
চার্জশিট ভুক্ত ১২ আসামির মধ্যে ব্যাংকের ১১ জন এবং ওই  ২ প্রতিষ্ঠানের ১ মালিক রয়েছেন। এই ১১ব্যাংক কর্মকর্তা আগের ১০ মামরার চার্জশিটভুক্ত আসামি রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপ পরিচালক প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য।  প্রতিষ্ঠান  ২টি হলো- টি অ্যান্ড ব্রাদার্স,নকশী নীট।
চার্জশিট ভুক্ত এই প্রতিষ্ঠান দুটির ১৪ মামলার তদন্তে ৩৫৪ কোটি ৫৫ লাখ ৮ হাজার ৭৯৪ টাকা আত্মসাতের  প্রমাণাদি পেয়েছে দুদক।
অপরদিকে  প্যারাগন নীট কম্পোজিটের সহযোগী  ৩ টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৩ মামলায় আত্মসাতকৃত  ১৩ কোটি ৩৩ লাখ ৯২ হাজার ৯৬১ টাকা ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষ ব্যাংকে সমন্বয় করেছে। ফলে তাদেরকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির নির্দেশ দিয়েছে দুদক।  
গত বছর ১ জানুয়ারি  রমনা মডেল থানায় টি অ্যান্ড ব্রাদার্স, প্যারাগন নীট কম্পোজিট, নকশী নীট, খান জাহান সোয়েটার ও ডিএন স্পোর্টস এই ৫ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফান্ডেড প্রায় ৩৭৩ কোটি টাকা লোপাটের ২৬টি মামলা দায়ের করে দুদক।  পরে আরও একটি মামলা দায়ের করে দুদক।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা (সাবেক শেরাটন) থেকে হল-মার্কের ঘনিষ্ট ৫ প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩৭৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে।
এই ২৭ মামলায়  দুদকের ৬ কর্মকর্তা বাদী হয়। তারা হলেন-উপ-পরিচালক মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী, উপ-পরিচালক এসএমএম আখতার হামিদ ভুইঞা, সহকারী পরিচালক মো: মশিউর রহমান, নাজ মুচ্ছায়াদাত, উপ-সহকারী পরিচালক  মো: মজিবুর রহমান ও মো: জয়নুল আবদীন।
এদিকে গত ৬ মে প্রায় সাড়ে ১৮ কোটি টাকা আত্মসাতের  ১০ মামলায় ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটের অনুমোদন দেয় দুদক।  ওই  প্রতিষ্ঠান  ৩টি হলো-প্যারাগন নীট কম্পোজিট, ডিএনস্পোর্ট এবং খান জাহান আলী সোয়েটার।                                                                                                                              
[b]ঢাকা,একে, ১ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]