চলতি বছরে দেশের প্রধান চার নদীর তীরবর্তী ১৯ জেলার ভাঙ্গনের ঝুঁকি গতবারের চেয়ে বেড়েছে।
সম্প্রতি ‘যমুনা, গঙ্গা, পদ্মা ও মেঘনার নিম্নাংশ এলাকার ভাঙ্গন পূর্বাভাস ২০১৪’ শীর্ষক এক সেমিনার থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সেমিনারে দেশের ভাঙ্গনপ্রবণ প্রধান চার নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে এ বছর নদীভাঙ্গনের সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়।
সেমিনারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সালে ওই চার নদীসংলগ্ন ৩৭০০ হেক্টর জমি, ৪৮৫ হেক্টর বসতবাড়ি, ৫ দশমিক ৬ কিলোমিটার সক্রিয় বাঁধ, ৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৩৯টি মসজিদ, ৪টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ১৪টি হাট-বাজার ও ৮টি সরকারি অফিস ভবন ভাঙ্গনের মুখে পড়তে পারে।
সেমিনারে আরও বলা হয়, প্রতিটি ক্ষেত্রে ভাঙ্গন ঝুঁকি গত বছরের (২০১৩) তুলনায় বেড়েছে। ২০১৩ সালের তুলনায় এ বছর বিপন্ন এলাকা ৬ কিলোমিটার থেকে বেড়ে ৯ কিলোমিটারে দাঁড়িয়েছে।
নদীর গতিপ্রকৃতিসহ আনুষাঙ্গিক বিবেচনায় এ বছর নদী ভাঙ্গনের প্রবণতা বেশি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।
রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশ সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) আয়োজিত এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক শহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ম. নজরুল ইসলাম বীর প্রতীক, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. জাফর আহমেদ খান ও ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভিসি ড. আইনুন নিশাত।
সেমিনারে নদী ভাঙ্গন বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিইজিআইএস’র নির্বাহী পরিচালক ম. ওয়াজি উল্লাহ ও উপপরিচালক ড. মমিনুল হক সরকার।
[b]ঢাকা, ১১ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)//এনএস
[/b]