[b]ঢাকা:[/b] প্রধান বিরোধী জোটের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘ভোটারবিহীন’ অবস্থার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন কূটনীতিকদের কাছে উপস্থাপন করেছে বিএনপি।
সোমবার বিকালে গুলশানের ‘হোটেল হ্যারিটেজ’ এ ঢাকায় অবস্থানরত ৩৪ টি দেশের কূটনীতিকদের কাছে নির্বাচনের বিষয়ে পর্যালোচনামূলক প্রতিবেদন তুলে ধরেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নেতারা।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389623472.jpg[/img]
দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, সহসভাপতি শমসের মবিন চৌধুরী এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সাংবাদিক শফিক রেহমান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন আহমেদও ছিলেন।
বৈঠকের পর শমসের মবিন চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ দলের আমন্ত্রণে রাষ্ট্রদূতরা এখানে এসেছিলেন। নির্বাচনের বিষয়ে আমরা রাষ্ট্রদূতদের অবহিত করেছি।’’
প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে নির্বাচনের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত-কূটনীতিকদের কাছে একটি প্রতিবেদন দেয়া হয়। ৫ জানুয়ারি ভোটগ্রহণের দিনসহ ওই সময়ে নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রের ভোটার অনুপস্থিতি, ভোট জালিয়ারি, ব্যালট পেপার ছিনতাইসহ বিভিন্ন ভিডিও তথ্যচিত্র কূটনীতিদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। পরে কূটনীতিদের কাছে প্রতিবেদনটি সরবারহও করা হয়।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389622660.jpg[/img]
বৈঠকের যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা, কানাডা‘র হাইকমিশনার হুদার ক্রুডেন, জার্মানীর রাষ্ট্রদূত আলবার্ট কনিয়ে , ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানাসহ অন্তত ২৪ টি দেশের রাষ্ট্রদূত,হাইকমিশনার ও ভারত, পাকিস্তানসহ ১০ টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘ ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আমরা হতাশ হয়েছি। ওই নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি।’’
তিনি বলেন. ‘‘ বিএনপি অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি পরিহার করেছে, এতে সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, একটি রাজনৈতিক ক্ষেত্র (পলিটিক্যাল স্পেস) তৈরি হয়েছে। আমরা মনে করি, দুই দলের মধ্যে দ্রুত সময়ে সংলাপ অনুষ্ঠান করে সব দলের অংশগ্রহণের একটি নির্বাচনের পথ উন্মুক্ত হতে পারে।’’
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389622772.jpg[/img]
মজীনা বলেন, ‘‘ বিরোধী দলকে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, সহিংসতা কোনোভাবে গ্রহনযোগ্য নয়। বিএনপি যেভাবে অবরোধ ও হরতাল কর্মসূচি বন্ধ করেছে,সেভাবে সরকারকেও এখন সংলাপের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ’’
‘‘ সহায়ক পরিবেশ হচ্ছে- বিরোধী দলের কার্যালয় খুলে দেয়া, তাদের নেতৃবৃন্দকে মুক্তি দেয়া, তাদেরকে অবাধে রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেয়াসহ গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়া।’’
তবে বিএনপিকে সরকারের দেয়া সুযোগের ‘সদ্বব্যবহার’ করতে হবে বলে মন্তব্য করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389622858.jpg[/img]
ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হানা বলেন, ‘‘ ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে আমরা হতাশ হয়েছি। বাংলাদেশের জনগন সেদিন তাদের ভোট দিতে পারেনি। বিএনপি অবরোধ-হরতাল কর্মসূচি বন্ধ করেছে, একে সাদুবাদ করি। এরফলে সংলাপের একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বলে আমরা মনে করি। সরকারেরই উচিত এখন সংলাপের একটি পরিবেশ তৈরি করা। ’’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘ জনগন চাইলে সংলাপের মাধ্যমে সমঝোতায় সব দলের অংশগ্রহনের একটি নির্বাচন হতে পারে।’’
শ্রেণীহীন
ভোটারবিহীন নির্বাচনের প্রতিবেদন কূটনীতিকদের কাছে
ঢাকা: প্রধান বিরোধী জোটের অংশগ্রহণ ছাড়াই অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ‘ভোটারবিহীন’ অবস্থার বিষয়ে একটি প্রতিবেদন কূটনীতিকদের কাছে উপস্থাপন করেছে বিএনপি। সোমবার বিকালে গুলশানের ‘হোটেল হ্যারিটেজ’ এ ঢাকায় অবস্থানরত ৩৪ টি দেশের





