এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে মোট ৩২ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ হার মোট বাজেটের ১২.৪ শতাংশ। বিগত সময়ের হিসাবে শিক্ষা খাতে এটাই সর্বোচ্চ বরাদ্দ।
শিক্ষায় এ বরাদ্দ চলতি বছরের তুলনায় ৬ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা বেশি। চলতি অর্থবছর শিক্ষা খাতে মোট ২৬ হাজার ১১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মিলে শিক্ষা খাতকে বিবেচনা করা হয়। তবে সরকার প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাত বলতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়কেও একীভূত করেছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতাকালে অর্থমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাখাতে ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত অনুসৃত নীতি ও সাফল্যের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখাই হচ্ছে আমাদের প্রধান অঙ্গীকার।
চলতি মেয়াদে ‘শিক্ষানীতি ২০১০’ এর অধিকাংশ বাস্তবায়ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করে মুহিত বলেন, বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়ের উদ্যোগ নেবো।
মন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে ক্রমান্বয়ে প্রতিটি বিদ্যালয় ও মাদ্র্রাসায় ভোকেশনাল ট্রেনিং কোর্স চালু করবো।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রসারে প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কাজ অব্যাহত রাখা হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চাকে উৎসাহিত করা হবে। সারাদেশে মৌলিক সাক্ষরতা কার্যক্রমের আওতায় ৪৫ লাখ নিরক্ষর কিশোর ও ১৫-৪৫ বছরের ব্যক্তিদের মৌলিক সাক্ষরতা ও জীবন দক্ষতামূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
শিক্ষানীতি অনুযায়ী প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণীতে উন্নীতকরণের কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কার্যক্রম চালু করা হবে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
[b]ঢাকা, ৫ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ

[/b]