[b]ঢাকা:[/b] ৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন বর-বধূ সাজিয়ে পুতুলের বিয়ে দেয়ার মতো মন্তব্য করে বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ড. এম ওসমান ফারুক বলেছেন, এই নির্বাচন দেশবাসী অনেক আগেই বর্জন করেছে।

শনিবার সন্ধ্যায় গুলশানের নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ওসমান ফারুক দাবি করেন, শুক্র ও শনিবার সারা দেশে বিরোধী দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যৌথ বাহিনীর সহযোগিতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির কয়েকজন নেতার বাসায় হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়েছে।ৱ

তিনি আরো দাবি করেন, সারা দেশে বিরোধী দলের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

ড.ওসমান ফারুক বলেন, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা পর দেশের ইতিহাসে কালিমাযুক্ত নির্বাচন হতে যাচ্ছে। সারা দেশের জনগণ পাতানো এ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও প্রতিহত করবে বলে আমরা আশা করছি। এ জন্য দেশবাসীকে রোববার ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেন, সরকারকে এই পাতানো নির্বাচন বন্ধ করতে হবে। তারপর পরবর্তী নির্বাচন কী প্রক্রিয়ায় হবে, সে বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। তার আগে কোনো আলোচনা নয়।

ওসমান ফারুক অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি নেত্রীর সাথে দলীয় নেতাকর্মীদের বিচ্ছিন্ন করার জন্য তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। অথচ সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা এ নিয়ে প্রতিদিন মিথ্যাচার করছেন।

সরকারের উদ্দেশে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, অবিলম্বে নেত্রীকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি ও নির্বাচন বন্ধে কার্যকর পদপেক্ষ না নেয়া হলে দেশব্যাপী যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য সরকারই দায়ী থাকবে। তাই সরকারকে বলব, এখনো সময় আছে পাতানো নির্বাচন থেকে সরে আসুন।

রোববার সরকারের পাতানো নির্বাচনের পর ১৮ দলের পক্ষ থেকে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে এমনটা জানিয়ে ওসমান ফারুক বলেন, আগামীকাল (রোববার) নেতাকর্মীদের কাজ হবে ভোটারদের ভোটকেন্দ্র না যেতে উৎসাহিত করা।

নির্বাচন কাভার করতে ভারত ও ভুটান থেকে সাংবাদিকদের আসা প্রসঙ্গে ভারতের এনডিটিভির এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে ওসমান ফারুক বলেন, এ বিষয়টি তাদের হতাশ করেছে। তবে বাংলাদেশের জনগণের মনোভাব প্রতিবেশী দেশ অনুধাবন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।