প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদককে না বলতে হবে। আমরা চাই শিশুরা নিরাপদ জীবন পাবে। সেজন্য জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস ও মাদকদ্রব্য থেকে জাতিকে দূরে রাখতে চাই।
সোমবার সকালে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় জাতীয় শিশু দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি  এ সব কথা বলেন।
জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি ছোট্ট শিশুদের বক্তৃতা শুনে নিশ্চিন্তে বলতে পারি, ভবিষ্যতে তারা আরো ভালো বক্তৃতা দিতে পারবে। তারাই তো মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী হবে।
মার্চকে বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাস উল্লেখ করে হাসিনা বলেন, ৭ই মার্চ জাতির পিতা তার ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন। ১৭ মার্চ জাতির পিতাকে আমরা পেয়েছি। ২৬ মার্চ জাতির পিতা স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ গড়তে সরকার সচেষ্ট জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা চাইতেন, বাংলাদেশের মানুষ দরিদ্র থাকবে না। বাংলাদেশ উন্নত হবে। কোনো শিশু না খেয়ে মারা যাবে না। কোনো শিশু নিরক্ষর থাকবে না। সকলে শিক্ষা পাবে।
বক্তৃতার পর প্রধানমন্ত্রী শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখেন। বঙ্গবন্ধুর সমাধি কমপ্লেক্সে বইমেলা উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকী। নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তরিকুল ইসলাম, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার জিল্লার রহমান এবং গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক খলিলুর রহমান মঞ্চে ছিলেন।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বি মিয়া, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নৌমন্ত্রী শাজাহান খান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসেন ভূইয়া, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আব্দুস সোবহান শিকদার, তিনবাহিনীর প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
[b]ঢাকা, ১৭ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]