[b]ঢাকা: [/b]ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজীর আহমেদ বলেছেন,এদেশে কোন সংখ্যালঘু নেই। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, অপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধীরাই এদেশের সংখ্যালঘু। বাকি সবাই এক।
তিনি বলেন, অপরাধীদের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক অস্ত্রের সম্পর্ক, কোন মাখামাখির সম্পর্ক নয়। এরা সমাজকে কখনওই ভাল কিছু দিতে শিখেনি। শিখেছে শুধু ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ। রাজনীতির লেবাস দিয়ে অপরাধকে আড়াল করা যাবে না। যারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্ত, তারা মানুষের চেহারা ধারণকারী পিশাচ। এদের সমাজ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করে ছাড়বো। আমরা ধর্মীয় জঙ্গিবাদ ও রাজনৈতিক সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করবো।
শনিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে কমিউনিটি পুলিশ ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটি মহাসম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন,সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে যারা গণতন্ত্র দিতে চান, ওই গণতন্ত্রে আমরা ভীতসন্ত্রস্ত। ওই গণতন্ত্রে আমরা ভয় পাই।
তিনি বলেন,যারা হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট করে, নির্যাতন করে সমাজে তাদের কোন প্রয়োজন নেই।
অতিরিক্ত কমিশনার ইব্রাহীম ফাতেমীর সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) শাহাবুদ্দিন আহমেদ,এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান বদিউর রহমান, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজসহ অনেকে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ কমিশনার বলেন,আমরা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন একটি রাষ্ট্র পেলেও কিছু স্বাধীনতাবিরোধী লোক থেকে যায়। মুক্তিযুদ্ধের পর এই ৪২ বছরে তারা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। একাত্তরের মতোই এ ঘাতকরা মানুষ পুড়িয়ে মারছে, লুটপাট করছে, জ্বালাও-পোড়াও করছে। মুক্তিযুদ্ধের ৪২ বছর পর এ নরপশুদের এমন তাণ্ডব সহ্য করা যায় না।
তিনি বলেন,নাশকতা ঘটানোর জন্য শ’ শ’ কোটি টাকা খরচ করেও কিছুই করতে পারেনি। দুর্নীতিপরায়ণ পুলিশ সদস্যও আমাদের প্রয়োজন নেই। গত বছর দুর্নীতির দায়ে ১১ জন পুলিশ সদস্যকে মামলা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।
কমিউনিটি পুলিশ ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটি অপরাধ নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে উল্লেখ করে কমিশনার বলেন, আমি আপনাদের কাছে জানতে চাই যারা যানবাহনে পেট্রল বোমা ছুড়ে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করছে, যানবাহন পুড়ে ছাই করছে- তারা কি এসব যানবাহন কিনে দিয়েছে? নাকি যানবাহনগুলো তাদের? ইচ্ছা হলো পুড়িয়ে দিলাম?