[b]ঢাকা:[/b] দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯০ সংসদ সদস্যের (এমপি) প্রজ্ঞাপন জারির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেছে এক আইনজীবী।
রোববার সকালে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।
রিটে একই সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ গঠন এবং তাদের শপথের ওপরও স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।
ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, ২৯০ জন সাংসদের ৮ জানুয়ারির গেজেট বিজ্ঞপ্তি কেন বেআইনি হবে না—এই মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত ওই গেজেট বিজ্ঞপ্তি স্থগিত এবং মন্ত্রিসভা গঠন ও শপথ স্থগিতের আরজি রয়েছে আবেদনে।
আশা করি আদালত তাদের ব্যাপারে একটা সঠিক সিদ্ধান্ত দেবেন।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড.ইউনুস আলী আকন্দ বলেন, ২৯০ জন এমপির গেজেট (Bangladesh Gazette Notification No. 17.00. 0000.035. 46. 001. 14.23 dated 08.01.2014) প্রকাশ ও শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। হাইকোর্টের সংশ্লিস্ট শাখায় রোববার সকালে এ রিটটি করেন তিনি। সুপ্রিমকোর্টের ১১ নং আদালত বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হতে পারে বলে জানান আইনজীবী।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389509273.jpg[/img]
এর আগে গত বুধবার ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামের গেজেট প্রকাশিত হয়।
প্রকাশিত গেজেটে মোট ২৯০ আসনের বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে বাদ পড়ছে যশোর-১ এবং যশোর-২ আসনের বিজয়ীদের নাম।
তার পরের দিন এমপিরা শপথ নেন। এদিকে আজ রোববার নতুন মন্ত্রীসভা শপথ নেয়ার কথা।
ইউনুস আলী বলেন, সংবিধানের ৭২(৩) মতে সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। যেটা এখনো শেষ হয়নি। ১২৩ (৩) মতে, আগের সংসদের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন সংসদ কার্যভার গ্রহণ করতে পারবে না।
তিনি বলেন, ৬৭ (১) মতে, ৯০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদ সদস্যরা শপথ না নিলে সদস্যপদ হারাবে। তবে যুক্তিসঙ্গত কারণে স্পিকার এই সময় সীমা বর্ধিত করতে পারবেন। ৬৫ (২) মতে সংসদ সদস্য হবে ৩০০ জন। মহিলা ৫০ জন। কিন্তু বর্তমানে নবম সংসদ সহ এর সংখ্যা ৬৩৮ এ পৌছেছে।
তিনি আরও বলেন, অনুচ্ছেদ ৭১(১) মতে, কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সদস্য হবে না। কিন্তু বর্তমানে একই ব্যক্তি ৯ম ও ১০ম সংসদের সদস্য এবং একই আসনে দুই জন করে সদস্য। এ জন্য সরকারের উচিত ছিলো ২৫ জানুয়ারির পরে গেজেট করা।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389509321.jpg[/img]
তাই সংবিধানের এসব বিধানের লংঘন হওয়ায় রিট দায়ের করা হয়েছে।
রিটে গেজেট বিজ্ঞপ্তি ও শপথ কেন অবৈধ হবে না মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। আর এ রুল শুনানি না হওয়া পর্যন্ত গেজেট বিজ্ঞপ্তি স্থগিত এবং মন্ত্রিসভার গঠন ও শপথের স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে।
রিটে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন, স্পীকার ও সংসদ সচিবালয়ের সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে [অনুচ্ছেদ ১৪৮ (২)ধারা] শপথের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এরপর ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন [অনুচ্ছেদ ৭২ (২)ধারা] বসারও কথা রয়েছে।
নবম সংসদের মেয়াদ ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রয়েছে। এ সংসদ বহাল অবস্থায় গেজেট হলে শপথের পর একই আসনে দুইজন সংসদ সদস্য থাকবেন। তবে সংসদ ভেঙ্গে গেলে এ নিয়ে কোনো আইনি জটিলতা থাকবে না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1389509374.jpg[/img]
শ্রেণীহীন
এমপিদের প্রজ্ঞাপন জারির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত ২৯০ সংসদ সদস্যের (এমপি) প্রজ্ঞাপন জারির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেছে এক আইনজীবী। রোববার সকালে সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. ইউনুস আলী আকন্দ হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন।





