[b]ঢাকা:[/b] বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করে ১২ স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ভোট ডাকাতি, এজেন্টদের বের করে দেয়া ও নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে এসব প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
এমনও ঘটনার খবর রয়েছে যে, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজের ভোটটি পর্যন্ত দিতে পারেন নি। সরকার সমর্থক প্রার্থীরা জালিয়াতি করে ভোট দিচ্ছ্নে।
নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়া প্রার্থীরা হলেন- ঢাকা-১৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এখলাস উদ্দিন মোল্লা, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আতাউর রহমান রতন, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজাদ উদ্দিন চৌধুরী (হরিণ মার্কা), এড. শরিফ (ফুটবল মার্কা), জামালপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আজিজ আহম্মদ হাসান, জামালপুর-২ আসনের আতিকুর রহমান, বরিশাল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবিনা আকতার।
ঢাকা-১৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এখলাস উদ্দিন মোল্লা দুপুর ১২ টায় নির্বাচন কমিশনে এসে বর্জনের চিঠি দেন।
এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, তার আসনে মোট ১২৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৭০টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের জোর করে বের করে দেয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
ভোট কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের (রামগতি-কমলনগর) তিন প্রার্থীর মধ্যে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
এই দুই প্রার্থী হলেন এ কে এম শরিফ উদ্দিন (ফুটবল) ও আজাদ উদ্দিন চৌধুরী (হরিণ)। নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আবদুল্লাহ আল মামুন।
নির্বাচন বর্জনের পর শরিফ উদ্দিন টাইম নিউজকে জানান, প্রচুর কারচুপি ও ভোট জালিয়াতি হচ্ছে। ২৫টি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। একটি কেন্দ্রে তাঁর নিজের বোন পোলিং এজেন্ট ছিলেন। তাকে ঢুকতেই দেওয়া হয়নি। কারচুপি ও জাল ভোটের প্রতিবাদে তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী আজাদ উদ্দিন চৌধুরী নির্বাচন বর্জন করার পর তার সমর্থকদের নিয়ে রামগতি উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিল থেকে ‘এ নির্বাচন অবৈধ’, ‘মানি না মানব না’ বলে স্লোগান দেওয়া হয়। পরে র্যাব লাঠিপেটা করে মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
নারায়নগঞ্জ-১ রুপগঞ্জ আসনেও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শওকত আলী (তালা মার্কা)।
তিনি সরকার সমর্থিত প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজীর বিরুদ্ধে ভোট কারচুপির অভিযোগ করেছেন। তিনির জানান, সরকারিপ্রভাব খাটিয়ে তিনি ভোট সেন্টার দখর করে রেখেছেন। তাই এই নির্বাচনকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসনে জেপি মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. ফরিদ আহমেদ ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জন করেছেন।
রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
স্থানীয়রা জানায়, শহরের অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি নিজের ভোট (নম্বর-৪৩৩) দিতে গিয়ে দেখেন ইতোমধ্যে তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। এর প্রতিবাদে তিনি ওই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েই তাৎক্ষণিক নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
ফরিদ আহমেদ অভিযোগ করে জানান, ভোট কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং তার ভোট আগেই কাস্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি নির্বাচন বর্জন করেছেন।
শ্রেণীহীন
সারাদেশে ১২প্রার্থীর নির্বাচন বর্জন
বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেয়া ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ করে ১২বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের ভোট ডাকাতি, এজেন্টদের বের করে দেয়া ও নির্বাচনে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের কারণে এসব প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।





