ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হকের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
সকালে ফেনী শহরের বিলাসী হোটেলের সামনে প্রথমে গুলি ও পরে গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। গাড়ির মধ্যে থাকা আওয়ামী লীগ নেতা একরামুল হক অগ্নিদদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় আহত হন তিনজন। তারা প্রাণে বেঁচে গেলেও অগ্নিদদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় তাদের ফেনী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
একরামুলকে গুলি ও পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদে ফেনী সদর, সোনাগাজী, দাগনভূঞা ও ছাগলনাইয়া উপজেলায় ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা শতাধিক গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। দুপুর দেড়টার দিকে তারা ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক বন্ধ করে দেয়। ফলে সড়কের উভয় দিকে আটকা পড়ে কয়েক হাজার যানবাহন। ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নিয়েছে। তারা কোনো যানবাহন চলাচল করতে দিচ্ছে না।
এদিকে একরামুল হক হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা ফেনী। ঘটনার পর থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ফেনী শহর ছাড়াও ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মহিপালে বিক্ষোভ মিছিল করছে। এদিকে ফেনী শহরে লোক চলাচল কমে গেছে। কর্মব্যস্ত চেনা শহরে নেমে এসেছে শশ্মানের নীরবতা। শহরে থেমে থেমে র্যা ব পুলিশ টহল দিচ্ছে।
[b]ঢাকা, ২০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শ্রেণীহীন
চমেক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে একরামুলের লাশ
ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হকের লাশ ডিএনএ পরীক্ষার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে





