বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের আসামি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের এই টাস্কফোর্স প্রথমে বিদেশে অবস্থানরত আসামিদের নামের তালিকা করবে।
বৃহস্পতিবার আদেশটি প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এই টাস্কফোর্সের অন্য সদস্যরা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেল, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের মহাপরিচালক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, পররাষ্ট্রসচিব ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক।
আদেশে বলা হয়েছে, এই টাস্কফোর্স বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের আসামি নাগরিকদের বিচারের জন্য দেশে ফিরিয়ে আনতে নামের তালিকা প্রণয়ন করবে।
এছাড়া টাস্কফোর্স বিদেশে আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত করা, সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার উপায় নির্ধারণ এবং ফেরত আনার কার্যক্রম তদারক করবে।
আদেশে আরও বলা হয়েছে, কোনো আসামি (বাংলাদেশী নাগরিক) ইতিমধ্যে বিদেশের নাগরিকত্ব নিয়ে থাকলে তাকে ফিরিয়ে আনার উপায় নির্ধারণ এবং এ-সংক্রান্ত কার্যক্রমও তদারক করবে এই টাস্কফোর্স।
টাস্কফোর্সের কোনো মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি আদেশে। বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। টাস্কফোর্সকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। টাস্কফোর্স প্রয়োজনে যে কাউকে এতে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী আসামিদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া ছয়জন পলাতক আসামি। এই মামলায় ১২ আসামির মধ্যে ছয়জন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়েও তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। তাদের মধ্যে আর এম এ রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে, নূর চৌধুরী কানাডায় ও খন্দকার আবদুর রশিদ লিবিয়ায় অবস্থান করছেন। তবে শরিফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন ও আবদুল মাজেদ কোন দেশে অবস্থান করছেন, কিংবা বেঁচে আছেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের কাছে সুস্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।
[b]ঢাকা, ২৭ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
বিদেশে পলাতক আসামি ফিরিয়ে আনতে টাস্কফোর্স
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের আসামি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করতে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের এই টাস্কফোর্স প্রথমে বিদেশে অবস্থানরত আসামিদের নামের তালিকা করবে।
এমপিদের বিদেশ সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা
বিদেশ সফর করে বাংলাদেশি মিশনে সংসদ সদস্যদের সফর, সভা বা অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কোনো সংসদ সদস্য বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন বা চ্যান্সেরি ব্যবহারের অনুরোধ করলে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আগে থেকে জানাতে হবে।
মেধাবী চিকিৎসক থাকার পরও বিদেশে কেন চিকিৎসা নিতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে অনেক মেধাবী চিকিৎসক থাকার পরও রোগীদের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হয় কেন—এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বিদেশের কারাগারে বন্দি ১০০৬৬ বাংলাদেশি
বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দি রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। এসব বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
বিদেশ ভ্রমণে বছরে ১৮ হাজার ডলার খরচের সুযোগ
বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি নাগরিকদের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের বার্ষিক সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে একজন প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিক বছরে সর্বোচ্চ ১৮ হাজার মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহার করতে পারবেন। এতদিন এ সীমা ছিল ১২ হাজার ডলার।
নিজ খরচে ২১৬ জনকে বিদেশ পাঠাচ্ছেন এমপি শফিকুর রহমান কিরণ
শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের হতদরিদ্র ও অসহায় পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে ২১৬ জনকে বিদেশে পাঠানোর কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ।
















