রাজধানীর কলাবাগানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত সাদবিন হোসেন সানি (২৫) হত্যার নেপথ্যে ছিল পূর্ব শত্রুতা। পুলিশ, নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার কলাবাগান থানায় ৩০২ ধারায় পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং ২) দায়ের করা হয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে। মামলায় ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নাজিমকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
নিহতের ঘটনায় পরিবারের অভিযোগ, এলাকার শীর্ষ চাঁদাবাজ ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নাজিম পরিকল্পিতভাবে পূর্ব-শত্রুতার জের ধরে ভাড়াটে কিলার দিয়ে সানিকে হত্যা করেছে।
নিহত সাদবিন হোসেন সানি আর কেউ নন। তিনি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কাজী শওকত হোসেনের একমাত্র ছেলে। সানি মা-বাবার সাথে কলাবাগানের গ্রীনরোডের ৯৮ নম্বর বাড়িতে থাকতেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলাবাগন থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) ইকবাল হোসেন।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201404/1396967621.jpg[/img]
সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে সানিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সানি সম্প্রতি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের উপর পড়াশেনা শেষ করে সাভারের একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেছিলেন বলে জানান নিহতের মামা রফিকুল ইসলাম।
কলাবাগান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম টাইম নিউজবিডিকে জানান, রাত দেড়টার দিকে ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে সাদবিনের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি জানান, নিহত সানির খালু ড. শহিদুল ইসলাম খানের বাসা ল্যাব-এইড হাসপাতালের পেছনে। মাঝ রাতে কে বা কারা শহিদুলকে হত্যার হুমকি দেয়। তিনি ফোনে এ খবর জানালে রাতেই খালুর বাসায় যান সানি।
খালুর বাসা থেকে বেরিয়ে ল্যাব এইডের পাশের চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে চা পান করছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকারে ৩/৪ জন যুবক এসে তাকে গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়।’
স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে ল্যাবএইড হাসপাতালে নিয়ে যান। কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201404/1396967646.jpg[/img]
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে সানির খালু ডা. শহিদুল আলম খান টাইম নিউজবিডি’কে জানান, তিন বছর যাবৎ এ এলাকার শীর্ষ চাঁদাবাজ ডা. জাহাঙ্গীর নাজিম আমার কাছে চাঁদা দাবি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে।
এঘটনায় ধানমন্ডি থানায় তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এরই জের ধরে তারা আমাকে কাল রাতে (সোমবার) হত্যা করতে এসেছিল। কিন্তু তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেই। আমার বাসার সামনে পুলিশ অবস্থান নিলে তারা সটকে পড়ে। চলে যাবার সময় তারা আমার ভাগ্নে সানিকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে চলে যায়।
এঘটনায় ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নাজিমকে আসামি করে মঙ্গলবার কলাবাগান থানায় ৩০২ ধারা পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং-২) দায়ের করা হয়েছে বলেও জানান নিহতের খালু ডা. শহিদুল আলম।
এব্যাপারে কলাবাগান থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মো. ইকবাল টাইম নিউজবিডিকে জানান, নিহত সানি ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক কাজী শওকত হোসেনের একমাত্র ছেলে। বিষয়টি গুরুত্বসহ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সানি হত্যার পিছনে পারিবারিক শত্রুতা অথবা রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে।
সানি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে উল্লেখ করে ওসি বলেন, দায়েরকৃত মামলার আসামির নামে ধানমন্ডি থানায় আগেও তিনটি মামলা ছিল। নাজিমের সঙ্গে নিহতের পরিবারের সম্পর্ক না থাকলেও তার খালু ডা. শহিদুল আলমের সাথে শত্রুতা ছিল। নাজিমকে ধরতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তাকে গ্রেফতার করতে পারলে ঘটনার রহস্য জানা যাবে।
[b]ঢাকা, জেইউ, ৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেবি[/b]
শ্রেণীহীন
সানি হত্যার নেপথ্যে পূর্ব শত্রুতা!
রাজধানীর কলাবাগানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত সাদবিন হোসেন সানি (২৫) হত্যার নেপথ্যে ছিল পূর্ব শত্রুতা। পুলিশ, নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার কলাবাগান থানায় ৩০২ ধারায় পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং ২) দায়ের করা হয়েছে





