নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেছেন, ‘সেভেন মার্ডারের তদন্তে যাকেই দরকার মনে হবে তাকেই জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেফতার ও আটকের আওতায় আনা হবে। এই মামলায় আমাদের যথেষ্ট অগ্রগতি আছে। তবে শেষ কথা বলার সময় এখনও আসেনি।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ড. মহিদ বলেন, ‘একটি সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের রহস্য সাধারণ কোনো হত্যাকাণ্ডের মতো এত তাড়াতাড়ি পাওয়া সম্ভব নয়। কারণ পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের পর যাতে তদন্তে কোনো সূত্র না পাওয়া যায় সেই পরিকল্পনাও হত্যাকারীরা করেন।’
তিনি বলেন, ‘এ কারণেই এ সব হত্যাকাণ্ডে বিপ্লবাত্মক কোনো ফল আপনাদের দিতে পারি না। তদন্ত করতে হয় শৈল্পিকভাবে। এ জন্য সময় দরকার।’
সেভেন মার্ডারের ঘটনায় র্যা ব ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী থেকে অব্যাহতি পাওয়া কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না বা কবে হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে ড. মহিদ বলেন, ‘তদন্তের দুটি অংশ থাকে একটি দৃশ্যমান, যাতে খুব কম তথ্যই আপনাদের দিতে পারি। আরেকটি অংশ হচ্ছে অদৃশ্য কাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, কাকে করব এর সব কিছু আপনাদেরকে বলছি না। তবে সামনের দিনেই আপনারা দেখতে পারবেন কাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কারণ কাউকেই গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ করব না।’
চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা বদল সম্পর্কে পুলিশ সুপার বলেন, ‘মামুনূর রশিদ মন্ডল এর আগে নরসিংদীর লোকমান হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিল। মূলত ওই তদন্ত আমিই করেছিলাম। মামুনূর রশিদ সেটা কম্পাইল করেছিল। সে সময় সে আমার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। তাই তাকে নারায়ণগঞ্জে বদলি করে সেভেন মার্ডার মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই মামলাও আমিই তদন্ত করব। সঙ্গে তার সহযোগিতা নেব। তাই তাকে জেলা ডিবি (ডিকেক্টিভ ব্রাঞ্চের)-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’
গুমের পর নিহত চন্দন সরকারের পরিবারের পক্ষ থেকে ফতুল্লা থানায় একটি মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশ সুপার।
[b]ঢাকা, ৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]