সারাবিশ্বে অশিক্ষিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এক্ষেত্রে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে আছে ভারত। এরপর ক্রমান্বয়ে চীন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া ও দারফুর। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে এমন খবর বেরিয়েছে।
১৯৮৫ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের শিক্ষাখাতের ২৭ বছরের হিসাব টেনে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো বলেছে, বিশ্বের প্রাপ্ত বয়স্ক ৭২ শতাংশ অশিক্ষিতদের জন্য দায়ী শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ চার নম্বরে।
[b]‘শিক্ষকতা ও শেখা :[/b] সবার জন্য গুণগতমান অর্জন’ শিরোনামে বুধবার ইউনেস্কো এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ ও পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোর প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ শিশু এখনো প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত ।
ইউনেস্কোর হিসাবে, ১৯৮৫-১৯৯৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অশিক্ষিত লোক ছিল ৪ কোটি। ২০০৫-২০১১ সময়কালে তা বেড়ে হয়েছে সাড়ে ৪ কোটি। আর ভারতে ১৯৮৫ সালে অশিক্ষিত ছিল ২৮ কোটি ৭০ লাখ। ২০১১ এ তা অপরিবির্তিত রয়েছে। পাকিস্তানে ১৯৮৫ সালের হিসাব উল্লেখ না থাকলেও ২০১১ সালে অশিক্ষিত লোকের সংখ্যা ৫ কোটি।
ইউনেস্কোর প্রতিবেদনে বলা হয়, তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তিন-চর্তুথাংশের কম প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষিত। তবে বাংলাদেশ, ঘানা, কাতারসহ বিশ্বের ২৯টি দেশ ২০১১ সালের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও অপ্রশিক্ষিত শিক্ষিতের হার ১০:১ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে এখন প্রতি ৮০ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬০ জন আর এখনো প্রশিক্ষণ পাননি এমন সংখ্যা ২০ জন।[b]
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এফএ
[/b]
শ্রেণীহীন
অশিক্ষিত জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ
সারাবিশ্বে অশিক্ষিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। এক্ষেত্রে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে প্রথম স্থানে আছে ভারত। এরপর ক্রমান্বয়ে চীন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়া, মিশর, ব্রাজিল, ইন্দোনেশিয়া ও দারফুর। জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদনে এমন খবর বেরিয়েছে





