[b]রংপুর:[/b] নগরীর পীরগাছা উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (পীরগাছা) আসনের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসাররা বাদী হয়ে মামলা দায়েরের পর পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য শুরু হয় বলে ভুক্তভোগীরা।
কেন্দ্রগুলোতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ভোটের পর দিন থেকে মামলা করা শুরু করেন প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা।
ওই সব ঘটনায় বুধবার বিকেল পর্যন্ত পীরগাছা থানায় ১৪টি মামলা করা হয়। এ সব মামলায় বিএনপি-জামায়াতের ৫’শ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আসামি করা হয়। সেই সঙ্গে আরও ১৫ হাজারের অধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।
মামলা করার পর থেকে ওই সব এলাকায় পুলিশ অভিযান শুরু করে। অভিযানে প্রকৃত অপরাধীদের আটক না করে সাধারণ মানুষদেরকে আটক করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বুধবার পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। যাচাই বাছাইয়ের নামে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অর্ধেক আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া ৪২জনকে জেল-হাজতে পাঠানো হয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ হাট-বাজার থেকে নিরপরাধ ব্যক্তিদের গ্রেফতার করছে এবং যাচাই-বাছাইয়ের নাম করে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অবিলম্বে পুলিশের এ গ্রেফতার বাণিজ্য বন্ধের দাবি জানাই।
পুলিশের আতঙ্কে উপজেলার পারুল,অন্নদানগর,ছাওলা,কৈকুড়ী ও তাম্বুলপুর ইউনিয়নের পুরুষরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।
নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দুর্বলতার সুযোগে পীরগাছা উপজেলার ৯০টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় নি।
নিরাপরাধ মানুষকে গ্রেফতারের বিষয়ে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, নির্দোষ কাউকে গ্রেফতার করা হয় নি এবং হবে না। তবে আটক দু’এক জনকে যাচাই-বাছাই করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় তিনি পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
এদিকে গত শনিবার উপজেলা পরিষদ কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গ্রামপুলিশ সমাবেশে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানরা পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য বন্ধের দাবি জানান।
এসময় পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন ও ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আতাউর রহমান সমাবেশ থেকে চলে যেতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসের শাহ মাহবুবার রহমান বাধা দেন। এতে উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে ওই ঘটনার প্রতিবাদে চেয়ারম্যানরা পৃথক আরেকটি সভা করেন।
পীরগাছায় পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্য!
রংপুর: নগরীর পীরগাছা উপজেলায় নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনায় পুলিশের গ্রেফতার বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৪ (পীরগাছা) আসনের ৩৯টি ভোটকেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনায়
ঢাকা-ওয়াশিংটন অর্থনৈতিক সমীকরণ বাণিজ্য চুক্তির আড়ালে বড়ো বৈষম্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ?
মীর্জা মসিউজ্জামান : গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও নতুন রাজনৈতিক সরকারের সূচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন গতিশীলতা এসেছে। তবে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশ্ববাজারের জ্বালানি সংকট এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তির কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপে এক জটিল সন্ধিক্ষণ পার করছে ঢাকা। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে দেশের ভেতরে বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রবাহ কমে যাওয়ায় নীতিগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে নতুন সরকার।
বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যেই ভারতে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বাণিজ্য নিয়ে মতপার্থক্য এবং রাশিয়ার কাছ থেকে ভারতের তেল কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অসন্তোষের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যাচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা, কৌশলগত সম্পর্ক এবং বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করবেন তিনি।
তিস্তা প্রকল্পে সহায়তা মুক্ত বাণিজ্যে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্ত শুর্তসমা।
ভিসা সহজীকরণ, বাণিজ্য বৃদ্ধিসহ বহুমাত্রিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ
বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে ভিসা ও ভ্রমণ প্রক্রিয়া আরও সহজ করা, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা পুনরায় চালু এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প-মোদি ফোনালাপের পরও ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি অনিশ্চিত
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল প্রত্যাশিত বাণিজ্য চুক্তি শিগগিরই সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেন, চুক্তি ‘অবিলম্বে’ হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে আলোচনায় কোন বিষয়গুলো এখনো বড় বাধা হয়ে আছে, তা দুই পক্ষই চিহ্নিত করতে পেরেছে বলে জানান তিনি।
















