[b]ঢাকা: [/b]রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর রাজনৈতিক বিবেচনায় যত্রতত্র শাখা খোলা বন্ধসহ লোকসানি শাখা কমাতে বেশ কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। ফলে এখন থেকে নতুন কোনো শাখা খোলার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এসব শর্ত অনুসরণ করলেই কেবল কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নীতিগত অনুমোদন পাবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেশ কয়েক বছর ধরেই ব্যাংকিং খাতের বেশ কয়েকটি অর্থ জালিয়াতির কারণে বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলোর আর্থিক সূচকগুলোর বেশ অবনতি ঘটছে। এদিকে বিদায়ী বছরের শুরু থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলো ব্যবসা করতে পারেনি। ফলে অধিকাংশ শাখাও মুনাফা করতে পারেনি। তারপরেও এ খাতের ব্যাংকগুলোর কর্তৃপক্ষ শাখা বাড়িয়েই চলেছে।
জানা গেছে, সদ্যসমাপ্ত বছরের শেষের দিকে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত খাতের কর্মসংস্থান ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নতুন শাখা খোলার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করে।
পরবর্তীকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের কাছে বিষয়টি অবহিত করা হলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা জানান, রাষ্ট্রীয় ও বিশেষায়িত খাতের ব্যাংকগুলোকে তাদের ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সরকারের দারস্থ হতে হয়। নতুন শাখা খোলার ক্ষেত্রেও সরকারি তহবিলের ওপর নির্ভর করতে হয়। এদিকে নতুন শাখা খোলার পরপরই এসব শাখায় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অধিক জনবল প্রয়োজন পড়ে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে এসব শাখায় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয় না বলে বাড়ে লোকসানি শাখার পরিমাণ।
এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, এখন থেকে এ খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর নতুন শাখা খোলার পূর্বে প্রয়োজনমতো অর্থের সংস্থান ও দক্ষ লোকবলের দরকার হলে প্রতি বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরবর্তী অর্থবছরের প্রয়োজনীয় শাখা খোলার প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের অনাপত্তিপত্রসহ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পাঠাতে হবে।
এ ক্ষেত্রে নতুন শাখা খোলার জন্য অতিরিক্ত অর্থ ও লোকবল নিয়োগের প্রয়োজন না হলে তা উল্লেখ করে পরিচালনা পরিষদের সুপারিশসহ অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যালোচনা অনুযায়ী, চলতি বছর থেকে রাষ্ট্রীয় ও বিশেষায়িত খাতের যেসব ব্যাংক তাদের মোট শাখার ৮০ শতাংশ শাখা লাভজনক দেখাতে পারবে শুধুমাত্র তারাই নতুন শাখার জন্য আবেদন করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে। অন্যথায় নতুন করে কোনো শাখার অনুমোদন দেওয়া হবে না। যেসব এলাকায় আগে থেকেই সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কোনো শাখা রয়েছে তার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোনো শাখার অনুমোদন দেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক।
[b]টাইমনিউজবিডি/এসএমআর[/b]
শ্রেণীহীন
বিশেষায়িত ব্যাংকের নতুন শাখা খোলা নিয়ন্ত্রণে শর্তারোপ
ঢাকা: রাষ্ট্রীয় বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর রাজনৈতিক বিবেচনায় যত্রতত্র শাখা খোলা বন্ধসহ লোকসানি শাখা কমাতে বেশ কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে।





