রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে গৃহবধূ হালিমা বেগম হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-গোদাগাড়ী উপজেলার আইনুদ্দিনের ছেলে সেলিম হোসেন,আইনাল হক, ওহাব আলীর ছেলে রায়হান, আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মিজান,রেজাউল ইসলাম ও মসলেম উদ্দিনের ছেলে হুমায়ূন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শামসুল আলম খান এ রায় ঘোষণা করেন।এসময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
একই মামলায় আরো ১০ আসামিকে ৩ বছর কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার থেকে ৫শ’ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড,অনাদায়ে আরো ৬ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর ১৩ জন আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।
তিন বছর করে সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন-একই উপজেলার আব্দুল বারির ছেলে মাসাদুল হক, মসলেম উদ্দিনের ছেলে শহিদুল ইসলাম,দুলালের ছেলে আবুল হোসেন, আবু বকরের ছেলে মাজাহার আলী,আজাদ আলী, তাজেল আলী,রিয়াজ উদ্দিনে ছেলে আক্কাস আলী,আছির উদ্দিনের ছেলে সারোয়ারদি,আমীর উদ্দিনের ছেলে স্বাধীন,আব্দুল মালেকের ছেলে গাজলু।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়,২০১০ সালের ২৫ জুলাই বিকাল ৫ টায় গোদাগাড়ী উপজেলার চাপাল এলাকার একটি মসজিদের জমি দখলকে কেন্দ্র করে আসামীরা মুসল্লিদের উপর দেশি অস্ত্র নিয়ে হামলা চলায়।এসময় হামলার শিকার ওই এলাকার আব্দুস সাত্তারকে উদ্ধারে তার বোন গৃহবধু হালিমা বেগম (৩০) এগিয়ে এলে লোহার রড দিয়ে তাকেও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা।
হালিমা বেগমকে মুমূর্ষু অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে মারা যান তিনি। এঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুস সাত্তার বাদি হয়ে পরের দিন গোদাগাড়ী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক বাবু। আসামি পক্ষে ছিলেন,অ্যাডভোকেট হামিদুল হক।
[b]ঢাকা, ২০ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ[/b]