শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে কথিত ফকিরের দেওয়া রুটি পড়া খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামবাসী।
অসুস্থদেরকে চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল,মাদারীপুর হাসপাতালসহ বিভিন্ন বেসরকারী ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র জানায়,উপজেলার টুমচর গ্রামের মোতালেব আকনের ঘর থেকে গত ৫ এপ্রিল একটি স্বর্ণের চেইন হারিয়ে যায়। চেইনটি উদ্ধার ও চোর সনাক্ত করার জন্য মোতালেব গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের নলকোনা গ্রামের ফকির আব্দুর রাজ্জাকের শরনাপন্ন হন।
ফকির আব্দুর রাজ্জাক রোববার মোতালেবকে ৪ কেজি গুড়া আটা পড়ে দেন রুটি বানিয়ে খাওয়ার জন্য। ফকিরের কথা অনুযায়ী মোতালেব মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কিছু লোকজনকে রুটি পড়া খাওয়ার জন্য তার বাড়িতে ডাকে। তখন ৫০ ব্যক্তিকে ওই রুটি খাওয়ানো হয়। রুটি খাওয়ার ৩০ মিনিটের মধ্যে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে।
কর্তব্যরত চিকিৎসক শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মুনির আহমদ খান জানান,আগামী ৬ ঘন্টা পর্যবেক্ষণের পরে রোগের ধরন নির্ণয় করা সম্ভব হবে। রুটির নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে বোঝা যাবে কি ধরনের বিষক্রিয়া ছিল।
শরীয়তপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের ফকির বলেন,ফকিরের দেয়া রুটি পড়া খেয়ে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে এমন কোন তথ্য আমি এখনও জানিনা। এ বিষয়ে কেউ থানায় অভিযোগ করলে আমরা পরবর্তী ব্যবস্থা নেব।
[b]ঢাকা, ৬ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ
[/b]