মালয়েশীয়া এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ বিমানটির কোন আলামত বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ৮৭ হাজার বর্গকিলোমিটর এলাকায় পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।
বুধবার নৌবাহিনীর সদর দফতরে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ উড়োজাহাজের খোঁজে বঙ্গোপসাগরে নৌবাহিনীর অনুসন্ধান কার্যক্রম সংক্রান্ত নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানানো হয়। অনুসন্ধানের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন ডিরেক্টর (নেভাল অপারেশন) কমোডর এস এম হাকিম ও নৌগোয়েন্দা পরিচালক কমোডর এম রাশেদ আলী। সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (অপারেশন্স) এ এম এম এম আওরঙ্গজেব চৌধুরী এনডিসি পিএসসি উপস্থিত ছিলেন।
দেশের সমুদ্র এলাকাকে ৮ ভাগে বিভক্ত করে উড়োজাহাজের সম্ভাব্য গতিপথ ধরে এ পর্যন্ত ৮৭ হাজার ৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকা সমুদ্রে অনুসন্ধান চালিয়েছে নৌবাহিনীর ৩টি জাহাজ।
এস এম হাকিম জানান, ১৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর পরই নৌবাহিনীর জাহাজ ওমর ফারুক মালয়েশিয়ার নিখোঁজ উড়োজাহাজের সন্ধানে অভিযান শুরু করে। শক্তিশালী বাইনোকুলার, রাডারের সাহায্যে কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সমুদ্র শান্ত ও পূর্ণিমা থাকায় রাতেও অনুসন্ধান কাজ চালানো সহজ হচ্ছে।
তিনি জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের অনুসন্ধানে ৩২ হাজার কিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়। তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে ২৭ হাজার এবং পঞ্চম দিনে ২৮ হাজার ৪৪৮ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হয়।
৫ দিনে মোট ৮৭,০৫৯ কিমি এলাকা অনুসন্ধান সম্পন্ন হচ্ছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজ ও মাছ ধরা ট্রলারের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত এই এলাকা দিয়ে উড়োজাহাজটির যাওয়া কিংবা যদি বিধ্বস্ত হয়ে থাকে, তাহলে উড়োজাহাজের ভগ্নাংশ, সমুদ্রে ভাসমান তেলের লাইন, যাত্রীদের জামা-কাপড়সহ কোনো ধরনের আলামত পাওয়া যায়নি।
৮ মার্চ ২৩৯ যাত্রী ও ক্রুসহ বিমানটি মালয়েশীয়া থেকে চীনের বেইজিং যাওয়ার পথে নিখোঁজ হয়।
[b]ঢাকা, ১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]