নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. আবুল কালাম আজাদকে প্রত্যাহারের দাবি করেছেন আন্দোলনরত পরিবহন শ্রমিকরা।
শনিবার রাত ৯টার দিকে জেলা মোটরযান কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যালয়ে শ্রমিকদের সভায় শ্রমিক নেতারা এ দাবি জানান।
সভায় সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুল হাসান শাহীন উপস্থিত ছিলেন। সভায় মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম কাউসার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিন্টু চৌধুরীরও প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।
বাস শ্রমিকদের সঙ্গে যাত্রী পরিবহনের গণ্ডগোলের প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা শনিবার ভোর থেকে জেলার আভ্যন্তরীণ সব সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এতে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে।
পরিবহন ধর্মঘট নিয়ে সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও শ্রমিক নেতাদের নিয়ে শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. আবুল কালাম আজাদ তার সম্মেলন কক্ষে বৈঠক করেন। বৈঠকে শ্রমিক নেতারা অবিলম্বে ধর্মঘট তুলে নেয়ার কথা জানালেও শ্রমিকরা সন্ধ্যা পর্যন্ত ধর্মঘট প্রত্যাহার করেনি।
বৈঠকে পর সন্ধ্যার দিকে পুলিশ সদস্যরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এলে ধর্মঘট প্রত্যাহার নিয়ে পুলিশ সদস্যরা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিক নেতাদের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ শটগানের গুলি ছুড়লে তিন শ্রমিক নেতা আহত হন।
এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা রাতে জরুরি সভায় মিলিত হন। সভায় বিশৃঙ্খলার জন্য জেলা প্রশাসনকে দায়ী করে পরিবহন ধর্মঘট জোরদার ও ডিসি ও ওসির প্রত্যাহারের দাবি ওঠে।
এর সত্যতা স্বীকার করে জেলা মোটরযান কর্মচারী ইউনিয়নের সম্পাদক আদব আলী জানান, শ্রমিকদের উপর পুলিশের হামলার ঘটনার জন্য জেলা প্রশাসকসহ ওসি দায়ী। তাদের প্রত্যাহার করা হলে ধর্মঘটও প্রত্যাহার করা হবে।
[b]ঢাকা,২৫ শে মে (টাইম নিউজবিডি.কম)/কেএ[/b]
শ্রেণীহীন
নেত্রকোনার ডিসিকে প্রত্যাহারের দাবি পরিবহন শ্রমিকদের
নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. আবুল কালাম আজাদকে প্রত্যাহারের দাবি করেছেন আন্দোলনরত পরিবহন শ্রমিকরা।





