মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মামাতো বোন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ফুফাতো ভাই আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহিন নির্বাচন করছেন। আওয়ামীলীগের মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় দল থেকেও বহিস্কার হয় ভাই তৌফিকুজ্জামান শাহিনকে।
নির্বাচন অফিস ও দলীয় সুত্রে জানা যায়, এই উপজেলায় আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন ৪ জন। এরা হলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি তাহমিনা সিদ্দিকী, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক, যুগ্ম-সম্পাদক তৌফিকুজ্জামান শাহিন ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার।
নিজ দলের মধ্যে বিরোধ হওয়ার আশংকায় মাদারীপুর-৩ (কালকিনি-মাদারীপুর সদরের একাংশের) সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম কালকিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকীকে দলীয় মনোনয়ন দেন।
এতে করে তৌফিকুজ্জামান শাহিন দলের সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
নাম না প্রকাশের শর্তে দলীয় এক নেতা বলেন, বড় বোনের বিরুদ্ধে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় বাহাউদ্দিন নাছিম দলীয় সকলকে নিয়ে বারবার বসেও শাহিনকে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করাতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পালনে গত ৪ ফেব্রুয়ারী উপজেলা আওয়ামীলীগের যৌথ সভায় বিদ্রোহী প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহিনকে আওয়ামীলীগ থেকে বহিস্কার করেন। তৌফিকুজ্জামান শাহিন দু’বার পৌরসভার মেয়র ছিলেন।
অপরদিকে অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে রাজনীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। এবার অপেক্ষারপালা জনগণের রায়ে কে নির্বাচিত হন।
অধ্যাপিকা তাহমিনা সিদ্দিকী বলেন, দল থেকে আমাকে মনোনয়ন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতিকও বরাদ্দ হয়েছে। ঘোড়া প্রতীক নিয়ে আমি নির্বাচন করছি। আশা করছি জনগণ আমাদের পাশে রয়েছেন।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহীন মোটরসাইকেল প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন।
তিনি বলেন, এলাকায় আমার জনপ্রিয়তা রয়েছে। দেখা যাক নির্বাচনে কে হারে আর কে জিতে।
[b]মাদারীপুর,৭জানুয়ারি,(টাইমনিউজবিডি)//এসএইচ[/b]