[b]নয়াদিল্লী:[/b] ভারতের উত্তর প্রদেশের কৌশাম্বি শহরে আম আদমি পার্টি'র সদর দফতরে হামলার অভিযোগে হিন্দু রক্ষা দলের সর্বভারতীয় আহ্বায়ক পিঙ্কি চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গাজিয়াবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানিয়েছেন,আম আদমির এর দফতরে বসানো সিসিটিভি'র ফুটেজ পরীক্ষা করে পিঙ্কিকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।
গ্রেফতার হওয়ার পর পিঙ্কি চৌধুরী বলেন,“কাশ্মীর প্রসঙ্গে আপ নেতা প্রশান্ত ভূষণ যে মন্তব্য করেছেন,আমরা তার বিরোধী।”
আজ সকাল ১১টার দিকে আম আদমি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় একদল উগ্র হিন্দুত্ববাদী জনতা। কাশ্মিরে ভারতীয় সেনা মোতায়েন নিয়ে গণভোট দেয়া উচিত বলে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতা প্রশান্ত ভুষণ যে মন্তব্য করেছেন তার প্রতিক্রিয়ায় এ হামলা চালানো হয়।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর নির্যাতনের বিরোদ্ধে কথা বলায় এর আগে বুকার বিজয়ী লেখিকা অরুন্ধুতী রায়ও উগ্ন হিন্দুদের রোষানলে পড়েছিলেন।
আম আদমি দফতরে হামলা: হিন্দু রক্ষা দলের নেতা গ্রেফতার
নয়াদিল্লী : ভারতের উত্তর প্রদেশের কৌশাম্বি শহরে আম আদমি পার্টি'র সদর দফতরে হামলার অভিযোগে হিন্দু রক্ষা দলের সর্বভারতীয় আহ্বায়ক পিঙ্কি চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
হিন্দুদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস জামায়াত আমিরের
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সমস্যা, বৈষম্য ও বঞ্চনার কথা শুনে সেগুলো সমাধানে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সরকার ও বিরোধী দল সম্মিলিতভাবে তাদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
‘কোনো হিন্দু যদি বলে ভারতে মুসলিমদের স্থান নেই, সে আসলে হিন্দুই না’
ভারতের উগ্রহিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসের প্রধান মোহন বাঘাওয়াত বলেছেন, ভারতের কোনো হিন্দু যদি মনে করেন ভারতে মুসলিমরা থাকতে পারবে না, তাহলে সেই ব্যক্তিই আর হিন্দু থাকবেন না। তিনি ধর্মচ্যুত হয়ে যাবেন।
শুভেন্দু মনে করিয়ে দিলেন প্রতিবেশী হিন্দুরা ভারতে আশ্রয় পাবেন, মুসলিমরা নয়
ভারতের বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের (সিএএ) সূত্র ধরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অনুপ্রবেশকারী নন। তারা শরণার্থী।’ এ আইনে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিস্টানদের শরণার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হলেও মুসলিমদের কথা বাদ দেওয়া হয়েছে।
















