সিলেটে মেডিকেল কলেজে ছাত্র ও ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলামকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সৌমেন দে। রোববার বিকাল ৫টার দিকে সিলেট মহানগর মুখ্য হাকিম-১ শহীদুল ইসলামের আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।
সৌমেন হত্যাকাণ্ডের বর্ণনার পাশাপাশি এতে অংশ নেয়া ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকমীদের নাম বলেছেন বলে জানা গেছে।
শনিবার রাতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে সিলেট রেলস্টেশন থেকে সৌমেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আদালত সূত্র জানায়, সৌমেন জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে নির্যাতনে অংশ নেয়া ১৫ জনের নাম বলেছে। এদের মধ্যে মামলার এজাহারভুক্ত সকলের নাম রয়েছে।
সৌমেন জবানবন্দিতে জানান, ঘটনার দিন দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় বিকাল ৩টার দিকে তৌহিদুলকে ডেকে আবু সিনা ছাত্রাবাসে আনা হয়। ওখানে সবাই মিলে তৌহিদুলকে বেধড়ক মারপিট করায় সে অজ্ঞানের মত পড়ে থাকে। এ অবস্থায় তাকে ছাত্রবাসের ১০০৩ নম্বর কক্ষে সন্ধ্যা পর্যন্ত আটকে রাখা হয়। নির্যাতনের ফলে তৌহিদুল মারা যেতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা হয়নি বলে উল্লেখ করেন সৌমেন।
জবানবন্দিতে হত্যা মামলার পর গত ক'দিন আত্মগোপনে থাকার বর্ণনাও দেন ছাত্রলীগ নেতা সৌমেন।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিক্তি উপ-কমিশনার (মিডিয়া) রহমত উল্লাহ জানান, স্বীকারোক্তিমূলক জনাববন্দি রেকর্ডের পর আদালতের নির্দেশে সৌমেনকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশের পর কোতোয়ালি থানার ওসি আতাউর রহমানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সৌমেনকে কালো রঙের মাইক্রোবাসে তুলে আদালত চত্বর ত্যাগ করেন।
গত বুধবার ওসমানী মেডিকেল কলেজের আবু সিনা ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে ছাত্রদলকর্মী তৌহিদুল ইসলামকে 'পিটিয়ে' হত্যা করে ছাত্রলীগ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নিহতের চাচা আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৮-১০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
[b]ঢাকা, ৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শ্রেণীহীন
খুনের দায় স্বীকার করল ছাত্রলীগ নেতা সৌমেন দে
সিলেটে মেডিকেল কলেজে ছাত্র ও ছাত্রদল নেতা তৌহিদুল ইসলামকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সৌমেন দে। রোববার বিকাল ৫টার দিকে সিলেট মহানগর মুখ্য হাকিম-১ শহীদুল ইসলামের আদালতে এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি





