[b]ঢাকা:[/b] প্রাণ এগ্রো লিমিটেড এর বাজারজাত করা মরিচ ও ধণিয়াসহ ৫ টি মসল্লায় মানুষের জন্য কোন ক্ষতিকারক ক্যামিকেল মিশানো আছে কিনা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিভিন্ন দোকান থেকে প্রাণ মসল্লার নমুনা সংগ্রহ করে তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে তার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. হাবিবুল গণির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
প্রাণ গ্রুপের পাঁচটি মসল্লা হলো মরচি, ধনয়িা, রসুন, আদা ও জিরা ।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আগামী দুই সপ্তাহরে মধ্যে স্বাস্থ্য সচবি, খাদ্য সচবি, আইজিপি , বিএসটিআই চেয়ারম্যান ও পরচিালকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আগামী চার সপ্তাহরে মধ্যে ওই সকল মসলার নমুনা পরীক্ষা করে তার রিপোর্ট আদালতে দাখলি করতে বলা হয়ছে।
শুনানতি আবেদনের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকটে মনজলি মোরশদে ও রাষ্ট্রপক্ষে মোখলছেুর রহমান।
মনজিল মোরশেদ সাংবাদদিকেদর বলেন, প্রাণ গ্রুপরে হলুদে ক্ষতক্ষির রাসায়নকি পর্দাথ পাওয়ার পর বিভিন্ন পত্রিকায় ওই কোম্পানীর অন্যান্য মসল্লায় একই ধরনেরে পর্দাথ থাকার সম্ভাবনা আছে বলে সংবাদ প্রকাশতি হয়। ওই সকল সংবাদের ভত্তিতে পণ্যগুলোতে ক্ষতক্ষির পণ্য নশ্চিতি করতে রিটটি করা হয়ছেলি
শ্রেণীহীন
প্রাণের মসল্লায় ক্ষতিকর ক্যামিকেল আছে কিনা জানতে চায় হাইকোর্ট
ঢাকা: প্রাণ এগ্রো লিমিটেড এর বাজারজাত করা মরিচ ও ধণিয়াসহ ৫ টি মসল্লায় মানুষের জন্য কোন ক্ষতিকারক ক্যামিকেল মিশানো আছে কিনা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বিভিন্ন দোকান থেকে প্রাণ মসল্লার নমুনা সংগ্রহ করে তা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে তার রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।





