দশ ট্রাক অস্ত্রের চোরাচালানের সঙ্গে হাওয়া ভবন ও বেগম খালেদা জিয়ার সম্পৃক্ততার বিষয়টি নতুন করে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেছেন, এই চোরাচালানের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
মঙ্গলবার রাতে সংসদে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের দেশের মাটি ব্যবহার করে কোনো দেশ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাবে তা আমরা হতে দেবো না। পাকিস্তান এবং ভারতের খোচাখুচির মধ্য বাংলাদেশকে ব্যবহার হতে দেবে না আওয়ামী লীগ সরকার।
প্রধানমস্ত্রী বলেন,বিডিআর বিদ্রোহে যে ৫৭ জন অফিসার মারা গেছেন তারমধ্যে ৩৮ জন অফিসার কোনো না কোনোভাবে আওয়ামী লীগের নেতাদের আত্মীয়। প্রশ্ন হলো বিএনপি নেত্রী বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার আগে কোথায় আত্মগোপনে গিয়েছেন।
তিনি বলেন,আমি ধন্যবাদ জানাই দুজন সার্জেন্টকে যারা এ অস্ত্র চোরাচালানটি ধরেছিল। অবশ্য খালেদা জিয়ার সরকার তাদের শাস্তিও দিয়েছিল। আজকে জানা যাচ্ছে যে,অস্ত্র চালান আটকের পর সামরিক কর্মকর্তারা খালেদা জিয়াকে জানিয়েছিল। কিন্তু তিনি মৌন থেকেছেন। কথায়তো বলে মৌনতা সম্মতির লক্ষণ।
তিনি আরো বলেন,বহু ঘটনা এদেশে হয়েছে যেগুলোর আমরা বিচার পাইনি। ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে বিচার পাইনি। বঙ্গবন্ধুর খুনীদের জিয়াউর রহমান দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করেছে। এদেশে অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয়া অনেকবার ঘটেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,ইউরিয়া সারকারখানায় ১০ ট্রাক অস্ত্র খালাস করা হয়েছে। এটা সরকারি। এটা শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে। এখানে সরকারের মদদ না থাকলে এতো অস্ত্র একটি জেটিতে নামিয়ে ট্রাকে ওঠানো সম্ভব নয়।
তিনি বলেন,২০০৪ সালে আমার ওপর গ্রেনেড হামলা হয়। মারা যায় আইভি রহমান। আমার বেঁচে থাকাটা আল্লাহর রহমান ছাড়া আর কেউ নয়। সে হামলায় আমাদের অনেক নেতাকর্মী মারা যায়। অনেকে এখনো স্প্রিন্টার দেহে নিয়ে বেঁচে আছে।
[b]ঢাকা, ৪ জানুয়ারি ( টাইমনিউজবিডি.কম ) // কেএইচ[/b]