বগুড়া থেকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে মহিলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ২১ নেতাকর্মী ও সমর্থক দৌড়ঝাঁপ অব্যাহত রেখেছেন।
মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেওয়ার পর দলীয় নেত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তারা বিভিন্নভাবে তদবির শুরু করেছেন।
কেউ কেউ এমপি হওয়ার আশায় তদবিরকারীদের চাহিদামতো অর্থ ঢালছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এদের অধিকাংশই রাজনীতিতে সক্রিয় না হলেও এমপি হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।
যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক এমপি কামরুন্নাহার পুতুল, জেলা মহিলা লীগের সভানেত্রী সাবেক এমপি খাদিজা খাতুন শেফালী, তার বোন সহ-সভাপতি হাসনা খাতুন, ঝর্ণা বেগম, সাধারণ সম্পাদিকা নিগার সুলতানা ডরোথী, দফতর সম্পাদক আছিয়া আক্কাস রানী, সদর থানা সভাপতি স্বপ্না চৌধুরী, দিলরুবা আমিনা আকতার বানু সুইট, হেফাজত আরা মিরা, অ্যাডভোকেট লাইজিন আরা লিনা, ডা. শেফালী খাতুন, ফজিলাতুন নেছা, মঞ্জুয়ারা বেগম, অ্যাডভোকেট আজমী আরা সান্ত্বনা ও নিলুফা ইয়াসমিন প্রমুখ।
বগুড়ায় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের কোনো কার্যক্রম নেই বললেই চলে।
এদিকে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন বিক্রি শুরু হলে বগুড়ায় মহিলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা হুমড়ি খেয়ে পড়েন।
২১ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাক্ষাৎকার দেন। এরপর থেকে এমপি হওয়ার মানসে তারা নানাভাবে চেষ্টা তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রার্থীদের অনেকেই ঢাকায় অবস্থান করছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর নিকটজন ও নেতাদের কাছে ধরনা দিচ্ছেন।
এদের কেউ কেউ বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে তাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। এটা শুনে অনেকে হতাশ হয়ে পড়ছেন। আবার কেউ বলছেন, এবার এমপি হতে না পারলেও ২৫-৩০ হাজার টাকা খরচ করে অন্তত দলীয় নেতাদের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি। তাদের বিশ্বাস পরবর্তীতে সুযোগ পাবেন।
প্রার্থীদের মধ্যে দিলরুবা আমিনা আকতার বানু সুইট জানান, সাক্ষাৎকার দিয়ে এসেছেন। দীর্ঘদিন বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির সঙ্গে আছেন। সমাজসেবায় জড়িত। নেত্রী যদি পছন্দ করেন, তাহলে ভালো কিছু হবে। অপর প্রার্থী স্বপ্না চৌধুরী বলেন, তিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনসেবা করে আসছি। বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছি। তার বিশ্বাস নেত্রী ও পার্লামেন্টারি বোর্ড তার আবেদনটি বিবেচনা করবেন।
[b]ঢাকা, ৪ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)// ইএইচ/ এফএ[/b]