চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কুমারী গ্রামের মুসা মিয়ার ইট ভাটায় চাঁদবাজদের গুলিতে সুজন আলী এবং আব্দুল লতিফ নামের দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিহত শ্রমিক সুজন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার শাহাপুর গ্রামের রহমত আলীর ছেলে এবং নিহত লতিফ চুয়াডাঙ্গার দর্শনার ভুলু মণ্ডলের ছেলে।
বুধবার রাত দেড়টার দিকে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে।
চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা ইট ভাটায় এসে গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সুজন। আর গুলিবিদ্ধ অপর শ্রমিক আব্দুল লতিফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। লতিফের কপালে ও ডান হাতে গুলি লেগেছিল। পুলিশ নিহত দুই শ্রমিকের লাশ চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো পাঁচ শ্রমিক। আহতরা হলেন- শাহাপুর গ্রামের মইনউদ্দিনের ছেলে রবিউল ইসলাম ,রহমতের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও মজর আলীর ছেলে রবি এবং কুমারী গ্রামের সোহরাব আলীর ছেলে গোলাপ আলী ও কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার মালিহাট গ্রামের সিদ্দিক । আহত শ্রমিকদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রফিকুল ইসলাম জানান,একদল চাঁদাবাজ দীর্ঘদিন থেকে আলমডাঙ্গা থানা পাড়ার মুসা মিয়ার কুমারী গ্রামের এম আর ব্রিকসে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় তারা দু’একদিন আগে শ্রমিকদের ভাটা বন্ধ রাখার কথা বলে যায়।
বুধবার আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে চাঁদাবাজরা চাঁদার টাকা নিতে আসে। চাঁদার টাকা না পেয়ে তারা ভাটা শ্রমিকদের উপর গুলি চালায়। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শ্রমিক নিহত এবং অপর এক শ্রমিক আহত হন। এছাড়াও এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তারা আরো পাঁচজন ভাটা শ্রমিককে আহত করে।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা ও চাঁদাবাজি মামলা হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন ওসি রফিকুল ইসলাম।
[b]ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি(টাইমনিউজবিডি)// জেআই[/b]
শ্রেণীহীন
চুয়াডাঙ্গায় চাঁদাবাজদের গুলিতে নিহত ২
চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গার কুমারী এনআরবি ব্রীক ফিল্ডে চাঁদাবাজদের গুলিতে সুজন ও লফিত নামে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছে। কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে ৫ জনকে। গুরুতর আহতরা হলেন- গোলাপ, রবি, সিদ্দিকুর রহমান, রবিউল ইসলাম ও আব্দুর রাজ্জাক





