বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২ এর ১৪ (৩) এর আওতায় সরকারি বাসায় সাবলেট বা ভাড়া দেয়ার বিধান নেই বলে জানিয়েছেন, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশারফ হোসেন।
মঙ্গলবার দশম জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদকে এ কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, বরাদ্দ বিধিমালা (খ) ডি এবং তদূর্ধ্ব শ্রেণীর সরকারি বাসা সাবলেট বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২ এর ১৪ (১), ১৪ (৩) ও বিধি ১২ মোতাবেক উক্ত বাসায় বরাদ্দ বাতিল করে অন্য কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের নামে বরাদ্দের এখতিয়ার সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সংক্ষরণ করে।
অপরদিকে এ বি সি শ্রেণীর বাসাগুলি ক্ষেত্রে একই অভিযোগ প্রমাণিত হলে বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২ এর একই উপবিধির আওতায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বাসাগুলি বরাদ্দ বাতিলের এখতিয়ার রাখে এবং উক্ত বরাদ্দ প্রাপকের বিরুদ্ধে সরকারি আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে তার ঊর্ধ্বতন অফিস প্রধানকে অবহিত করা বিধান রয়েছে।
তবে এ ধরণের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রাপক এবং মিথ্যা রিপোর্ট প্রদানকারীর বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।  
সংসদ সদস্য পঙ্কজ নাথের এক প্রশ্নের জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী  জানান, প্রয়োজনীয়তা, চাহিদা এবং জমির প্রাপ্যতা সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি জেলা-উপজেলাতে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ।
মন্ত্রী বলেন, ‘এ লক্ষে ইতিমধ্যে ১৬টি জেলায় এবং ১০ টি উপজেলায় মোট ৪৭ টি প্লট/ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পগুলির মধ্যে অনেকগুলো প্রকল্প ইতিমধ্যে সমাপ্ত করা হয়েছে এবং বাকীগুলি সমাপ্তির পথে রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘দেশের কৃষি জমি রক্ষাকল্পে পরিকল্পতি আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি জাতীয় গৃহায়ন নীতিমালা অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া কৃষি জমি রক্ষাকল্পে বর্তমানে অনেক স্থানে প্লটের পরিবর্তনের ফ্ল্যাট প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে অল্প জায়গায় অনেক লোকের বসবাসের সংস্থান নিশ্চিত হবে।’
এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে বাড়িঘর তৈরি করাকে নিৎসাহিত করার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে আবাসন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।
[b]ঢাকা, ৮ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]