রোববার কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী ও গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার থাকাকালীন এ এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ নিয়ে এসেছি। নির্বাচন অতিবাহিত হয়েছে মাত্র তিন মাস। এরই মধ্যে এলাকার উন্নয়নের জন্য আরও ১০০ কোটি টাকার বরাদ্দ এনেছি।’
ডা. তাহের আরো বলেন, ‘চৌদ্দগ্রামের মৌলিক সমস্যা কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসা। এই চৌদ্দগ্রামে এ দুটোর স্থান হবে না। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীদের ছয় মাস সময় দিলাম। আপনারা অন্য কোনো ব্যবসা খোঁজেন। না হয় ছয় মাস পরেও যদি এই রাস্তায় থাকেন, তাহলে বোঝা গেল, আপনারা ইচ্ছে করেই এই রাস্তায় আছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশি না, ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি? অবশ্যই ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি।’
উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় চৌদ্দগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সাবেক আমির আবদুস সাত্তার, মহানগরী সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারের এমডি ডা. শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ইসলামিক চিন্তাবিদ ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, উপজেলার সাবেক আমির সাহাব উদ্দিন, সাবেক সেক্রেটারি শাহ মো. মিজানুর রহমান, পৌরসভা আমির মাওলানা ইব্রাহীম, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, আব্দুস সোবহান, ইকবাল হোসেন মজুমদার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি মাওলানা শাহজালাল, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আব্দুর রহিম, এনসিপি কুমিল্লা অঞ্চলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সুফিয়ান, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী ইয়াছিন, পৌরসভা সেক্রেটারি মোশাররফ হোসাইন ওপেল, শিবিরের দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম মোল্লা, উপজেলা সদর সভাপতি নাছির মিয়াজী।
এস