শনিবার (১৯ জুলাই) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের শত শত শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে পা রাখতে পেরেছি। গত বছরের ১৮ জুলাই আমি উত্তরায় স্নাইপার বুলেটে বিদ্ধ হই। যারা নির্বিচারে হাজার হাজার মানুষকে শহীদ করেছে, তারা কোনোভাবে একটি রাজনৈতিক দল হতে পারে না। একটা সন্ত্রাসী দল দেশের রাজনীতিতে বিরাজ করুক, আমরা তা চাই না। আমরা চাই, জুলাইসহ সকল গণহত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক।
তিনি আরও বলেন, সংস্কারের নামে ফ্যাসিবাদের পুনর্বাসন এখনও চালু রয়েছে। ফ্যাসিবাদের শিকড় যতোই গভীরে থাকুক, তার মূলোৎপাটন না করা অব্দি আমাদের লড়াই চলমান থাকবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি নির্বাচন চাই, যেখানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে। কোনো পক্ষপাতিত্ব থাকবে না, সকল দলের সমান সুযোগ ও অংশগ্রহণ থাকবে। আর এভাবেই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
সাত দফা দাবিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জামায়াতের আজকের সমাবেশ। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতকরণ, সব গণহত্যার বিচার, প্রয়োজনীয় মৌলিক সংস্কার, ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পুনর্বাসন, সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচন ও এক কোটির বেশি প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো এককভাবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করছে দলটি।
এনএইচ