পোস্টে তিনি আরও লেখেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় তার সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামে তার দৃঢ় অবস্থান আমাদের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি কেবল একজন সংস্কৃতিকর্মীই ছিলেন না, বরং অন্যায়ের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান গ্রহণকারী এক সাহসী কণ্ঠস্বর ছিলেন। কঠিন ও দমনমূলক সময়েও তিনি গণমানুষের পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধকে আন্দোলনের শক্তিশালী অংশে পরিণত করতে অবদান রেখেছেন।’
আসিফ মাহমুদ লেখেন, ‘তার সাহস, প্রতিশ্রুতি এবং সংগ্রামী চেতনা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তার অকাল মৃত্যু আমাদের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, সংস্কৃতি ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
এনসিপির এ মুখপাত্র আরও লেখেন, আমি মহান আল্লাহর কাছে তার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করার দোয়া করছি। একইসাথে শোকসন্তপ্ত পরিবার, সহযোদ্ধা এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, লিভারজনিত জটিলতায় মারা গেছেন কারিনা কায়সার। শনিবার (১৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার বাবা ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় কায়সার হামিদ।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমার প্রিয় মেয়ে কারিনা কায়সার একটু আগে চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমাদের ছেড়ে চলে গেছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আমার মেয়ের কোনো ভুলত্রুটি হয়ে থাকলে বা কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে আপনারা তাকে ক্ষমা করে দেবেন। এই দুঃসময়ে যারা আমাদের পাশে ছিলেন, দোয়া করেছেন ও সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন। ‘
এনএইচ