মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তার সম্মানিত সাহাবিগণের মক্কা থেকে মদিনায় ঐতিহাসিক ‘হিজরত’-এর মহান স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে এই সনের গণনা শুরু হয়। হিজরি সন মুসলিম উম্মাহর ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। হিজরত কেবল একটি স্থান পরিবর্তন ছিল না, বরং তা ছিল জুলুম, অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে ন্যায়, ইনসাফ ও সত্যের এক গৌরবময় বিজয় এবং ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক বাঁক বদল।
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, হিজরি বিদায়ী বছরের সব ভুলত্রুটি, ব্যর্থতা ও গ্লানি মুছে ফেলে নতুন বছরে আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ইসলামের সুমহান আদর্শকে ধারণ করার শপথ নিতে হবে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি ও দেশের চলমান প্রেক্ষাপটে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহমর্মিতা অত্যন্ত জরুরি। হিজরতের ত্যাগ ও কোরবানির চেতনা বুকে ধারণ করে আমাদের সমাজ থেকে সব ধরনের অন্যায়, দুর্নীতি ও বৈষম্য দূর করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া করে বলেন, নতুন হিজরি বছর আমাদের ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া, ন্যায়বিচার, সততা ও মানবকল্যাণের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করুক- এটাই আমাদের প্রত্যাশা। তিনি যেন আমাদের দেশকে সকল সংকট, অস্থিরতা ও বিভেদ থেকে মুক্ত রাখেন। তিনি যেন জাতির মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও নৈতিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করেন।
জামায়াত আমির আহবান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি ইনসাফভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সব ধরনের সংকট ও মজলুমিয়াত থেকে হেফাজত করুন।
এমএম