সাক্ষাৎকারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এনসিপি সরকার গঠন করলে দলের নেতাদের মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা ও সমন্বয়ের ভিত্তিতে দায়িত্ব বণ্টন করা হবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সেখানে কোনো একজন ব্যক্তি এককভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করবেন না।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিতে চাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এই মন্ত্রণালয়কে বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করতে হয়। এসব রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে সামলানোর অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

অন্যদিকে, নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে বলেও দাবি করেন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ব্যবসায় শিক্ষায় পড়াশোনা ও চাকরির অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন তিনি। এ কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে তাঁর ধারণা।

এনসিপির অন্য নেতাদের সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়েও কথা বলেন দলটির এই মুখ্য সমন্বয়ক। তাঁর মতে, হাসনাত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, আখতার হোসেন আইন মন্ত্রণালয় এবং আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে পারবেন। এ ছাড়া পরিবহন খাতের সঙ্গেও দলের একজন নেতার সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

দলের মহাসচিব কে হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে পাটওয়ারী জানান, তিনি দ্রুত বর্তমান দায়িত্ব ছেড়ে নতুন প্রজন্মের হাতে নেতৃত্ব তুলে দিতে চান। রাজনীতি থেকে আগেভাগে অবসরে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতিতে একটু আগেভাগেই অবসরে যেতে চাই।’

তবে এসব বক্তব্য এনসিপির সরকার গঠনসংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা মন্ত্রণালয় বণ্টনের ঘোষণা নয়; সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দ ও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে মতামত জানিয়েছেন পাটওয়ারী।