শনিবার রাতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ডেমরা দক্ষিণ থানার উদ্যোগে স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কামাল হোসেন বলেন, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ ফাঁসি মঞ্চে গিয়েছেন, তবুও আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করেননি, কোনো আপোষ করেননি। যারা আধিপত্যবাদের কাছে মাথানত করেছে, ফ্যাসিবাদের সাথে আঁতাত করেছে, তাদের কোনো নেতার কিছুই হয়নি। তাদের নেতারা দেশে-বিদেশে বিলাসী জীবনযাপন করেছেন। তাদের মালিকানাধীন সব ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল ছিল। কিন্তু জামায়াতে ইসলামের সকল প্রতিষ্ঠান আওয়ামী লীগ দখল করেছে। দলের কেন্দ্রীয় অফিস থেকে শুরু করে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের অফিসগুলোও বন্ধ করা হয়েছে। তবু জামায়াতে ইসলাম একদিনের জন্যও জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়নি। দল মানুষের মাঝেই ছিল এবং মানুষের কল্যাণে নানাবিধ সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

তিনি বলেন, অতীতে একজন মানুষ তার সারাজীবনের কষ্টার্জিত টাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে গেলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের চাঁদা দিতে হতো। আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়ার পর ৫ আগস্ট পরবর্তী অন্য দলের নেতাকর্মীরাও সেই চাঁদা নিচ্ছে। চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি, কেবল চাঁদাবাজের হাত বদল হয়েছে।

তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এক পয়সাও কেউ চাঁদা দিতে হবে না। দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ঠিকানা হবে কারাগার। উপস্থিত বাড়িওয়ালাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জনগণ তাকে নির্বাচিত করলে ঢাকা-৫ সংসদীয় এলাকাকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত করে নতুন বাংলাদেশের একটি মডেল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলবেন। তাই তিনি স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিসে শুরা সদস্য ও ডেমরা দক্ষিণ থানা আমীর মির্জা হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও ডেমরা দক্ষিণ থানা নায়েবে আমীর মাওলানা আবু তালেব মিয়া, ডেমরা দক্ষিণ থানার কর্মপরিষদ সদস্য ও গ্রীন সিটি ওয়ার্ডের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। এছাড়াও ডেমরা দক্ষিণ থানা ও গ্রীন সিটি ওয়ার্ডের অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দসহ স্থানীয় এলাকাবাসী, বাড়িওয়ালা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এনএইচ