বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে গোপালগঞ্জে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের এনসিপির সমাবেশে হামলার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।মিছিলটি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে পল্টন মোড় থেকে বিজয়নগর হয়ে নাইটেঙ্গেল মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
শফিকুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে এবং বাকি দোসরদের গ্রেফতারে প্রশাসনকে আমরা বাধ্য করবো। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বারবার বলে এসেছে বিচার ও সংস্কার নিশ্চিত না করলে ফ্যাসিবাদকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না। সে কথাই প্রমাণিত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন,গোপালগঞ্জের হামলা প্রমাণ করে বাংলাদেশ এখনো নির্বাচনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি, বাংলাদেশ এখনো ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়নি। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের শেষ চিহ্ন অবশিষ্ট থাকলে এদেশের মানুষকে তারা শান্তিতে বসবাস করতে দেবে না। যে ছাত্র জনতা জুলাই আগস্ট অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে তাদের দল এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি প্রশাসনের সাথে আলোচনা করেই হয়েছে। তাহলে প্রশাসন কেন ব্যর্থ হলো এমন প্রশ্ন রেখে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারকে এর জবাব দিতে বলেন।
এসময় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির ড. হেলাল উদ্দিন বলেছেন, গোপালগঞ্জে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা প্রস্তুত থেকে আমাদের জুলাই যোদ্ধাদের রক্তাক্ত করেছে। তিনি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সাথে ঘোষণা করেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করা না হলে সারা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা গোপালগঞ্জের অভিমুখে মার্চ করতে বাধ্য হবে।
এছাড়াও প্রতিবাদ মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. মাওলানা খলিলুর রহমান মাদানী, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি যথাক্রমে দেলাওয়ার হোসেন, ড. আব্দুল মান্নান ও মো. শামছুর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য যথাক্রমে মাওলানা মোশাররফ হোসেন, আমিনুর রহমান, শাহীন আহমেদ খান , মহানগরীর সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন সহ মহানগরী ও বিভিন্ন থানা দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ।
এনএইচ