শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মামুনুল হক।
আরও পড়ুন: ২৫৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের সমঝোতা: কোন দল কোন আসন পেল
ইসলামী আন্দোলনের সরে যাওয়ার পেছনে তৃতীয় পক্ষের কোনো ইন্ধন নেই দাবি করে তিনি বলেন, ‘বোঝাপড়ার ঘাটতি থেকেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এতে ভোটের মাঠে খুব বেশি প্রভাব পড়বে না।’
মামুনুল হক বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে নতুন করে কোনো বৈঠকের সম্ভাবনা নেই। তবে তারা যদি আবার জোটে ফিরতে চায়, তাহলে সাদরে গ্রহণ করা হবে। আর যদি না আসে, তাহলে বাকি আসনগুলো শক্তিশালী অবস্থান ও জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে বণ্টন করা হবে।’
শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের বক্তব্যকে সঠিক নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘ইসলামী মূল্যবোধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা থেকে যে জোটের সূচনা হয়েছিল, আদর্শিক অবস্থান থেকে কেউ পিছপা হয়নি।
মামুনুল হক আরও বলেন, ‘জোটের ভেতরে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে তা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে সংবাদ সম্মেলনে ২৫৩ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে জাাময়াতসহ ১০ দলীয় জোট।
এর পরদিন শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ঘোষণা দেন, ২৬৮টি আসনে প্রার্থী দিয়ে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তারা।
এমএম