শনিবার রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, ‘এ দেশের মানুষ চাঁদাবাজি করে না। যারা চাঁদাবাজি করে, তারা জনগণের কষ্ট কিভাবে বুঝবে।’

বর্তমান সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘নির্বাচনের আগে ‘তিস্তা বাঁচাও’ আন্দোলন করলেও বাজেটে এর জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তিনি ঘোষণা করেন, আগামীতে ইনশাআল্লাহ ১১ দলীয় ঐক্য নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।’ এছাড়া সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সরকারের নীরবতার সমালোচনা করে তিনি বিজিবি এবং সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ প্রচেষ্টাকে অভিনন্দন জানান।

জামায়াত আমির রংপুর বিভাগকে ‘কৃষির রাজধানী’ হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। তিনি আলু চাষীদের সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে হিমাগারে প্রতি বস্তা আলুর জন্য ৬০০ টাকা দিতে হচ্ছে যা কৃষকদের ওপর জুলুম। তিনি আলুর বস্তা রাখার খরচ কমানো এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তিনি অঙ্গীকার করেন, ১১ দলের সরকার গঠিত হলে দেশে কোনো চাঁদাবাজ বা দুর্নীতিবাজের জায়গা হবে না। এমনকি স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও যদি দুর্নীতির সাথে জড়িত হন, তাকেও বিচারের মুখোমুখি করা হবে।

এমএম