শনিবার (১৯ জুলাই) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে তিনি সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান। তার আগমনের পর থেকেই পরিবেশ আরও উজ্জীবিত হয়ে ওঠে। রাস্তার দুই পাশে অবস্থান নেওয়া দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো উদ্যানে।

শান্ত ভঙ্গিতে উদ্যানে প্রবেশ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তার দিকে হাত বাড়িয়ে শুভেচ্ছা জানান হাজারো সমর্থক। আমিরও হাত নেড়ে সকলের অভিনন্দনে সাড়া দেন। তাকে সেসময় হাস্যোজ্জ্বল ও দৃঢ় মানসিকতায় দেখা যায়। নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিল উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আবেগঘন পরিবেশ। অনেকেই মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ ও ছবি তোলার ব্যস্ততায় ছিলেন। জনস্রোত দেখে বোঝা যাচ্ছিল—দলের এই শীর্ষ নেতাকে সামনে পেয়ে তারা কতটা আবেগাপ্লুত।

ডা. শফিকুর রহমান ছাড়াও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে কেউ কেউ আগে থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান করছিলেন। অনুষ্ঠানসূচি অনুযায়ী, দুপুর ২টার দিকে আমিরের সভাপতিত্বে শুরু হবে মূল মহাসমাবেশ। এ সমাবেশে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তাদের হাতে ছিল দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংবলিত প্ল্যাকার্ড।

সমাবেশে জামায়াতের পক্ষ থেকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে জামায়াতের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ রূপরেখা নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি আগেই সমাবেশের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এনএইচ