শনিবার রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাংলাদেশ দাওয়াহ সার্কেল আয়োজিত অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত সেরা ১০ প্রতিযোগীর হাতে নগদ অর্থ, সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসির ও দাঈ মাওলানা সাদিকুর রহমান আল আজহারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মিসবাহুল উলুম কামিল মাদ্রাসা-এর অধ্যক্ষ ড. মু. মহিউদ্দিন আহমদ।
দাওয়াহ সার্কেলের পরিচালক শাহীন আহমদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী পরিচালক শহিদুল ইসলাম শাফী, আব্দুল্লাহ আল আমিনসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কয়েক ধাপে বাছাই করা প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত পর্বে বিজয়ী সেরা ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় প্রতিযোগীদের মধ্যে রাসুলপ্রেম ও দ্বীনের পথে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়ের বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়।
তিনি বলেন, “মহানবী (সা.) শুধু ধর্মপ্রচারক ছিলেন না, তিনি ছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সমাজ সংস্কারক। জাহেলিয়াতের ঘোর অন্ধকারে তিনি ন্যায়, ইনসাফ ও মানবতার মশাল জ্বেলেছিলেন।”
তিনি আরও বলেন, “আজকের এই অস্থির ও সংঘাতময় পৃথিবীতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সিরাতই আমাদের মুক্তির একমাত্র পথ। তরুণরা যদি তাঁর আদর্শকে হৃদয়ে ধারণ করে এগিয়ে আসে, তবে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠন সময়ের ব্যাপার মাত্র।”
সভাপতির বক্তব্যে শাহীন আহমদ বলেন, তরুণদের মাঝে রাসুলের সিরাতচর্চা ও দাওয়াতি চেতনা জাগ্রত করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “আপনারাই আগামীর বাংলাদেশ। রাসুলের আদর্শ বুকে ধারণ করে সমাজের প্রতিটি স্তরে আলো ছড়িয়ে দিন।”
উল্লেখ্য, প্রতিবছর সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বাংলাদেশ দাওয়াহ সার্কেল জাতীয় বক্তব্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।
এস