কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ যেমন সফর, অসুস্থতা ইত্যাদি থাকলে নফল রোজা ভেঙে ফেলার কারণে কোনো গুনাহ হবে না। আর কোনো ওজর না থাকলে অনেকের মতে নফল রোজা ভেঙে ফেলা মাকরুহ। তবে অনেকে বলেছেন, যদি কাজা করার নিয়ত থাকে, তবে ওজর ছাড়াও নফল রোজা ভেঙে ফেলা যায়, তা মাকরুহ নয়।

রমজানের ফরজ রোজা গ্রহণযোগ্য ওজর ছাড়া ভেঙে ফেললে যেমন কাজার পাশাপাশি আলাদা কাফফারা আদায় করতে হয়, নফল রোজার ক্ষেত্রে সে রকম নিয়ম নেই। নফল রোজা কোনো ওজর ছাড়া ভেঙে ফেললেও শুধু কাজা আদায় করতে হয়, কাফফারা আদায় করতে হয় না।

আল্লামা ইবনে মওদুদ মওসিলি হানাফি তার ‘আল ইখতিয়ার’ গ্রন্থে বলেছেন, নফল ইবাদত শুরু করলে তা পূর্ণ করা এবং ভঙ্গ করলে কাজা করা আবশ্যক। কারণ আল্লাহ তাআলা বলেছেন, তোমরা তোমাদের আমলগুলো বাতিল করো না। (সুরা মুহাম্মদ: ৩৩) বর্ণিত রয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সা.) এক সাহাবিকে বলেছিলেন, (নফল রোজা ভেঙে) আপনার ভাইয়ের দাওয়াতে সাড়া দিন এবং তার পরিবর্তে আরেক দিন রোজা রাখুন। আরও বর্ণিত রয়েছে আয়েশা ও হাফসা (রা.) নফল রোজা রেখে ভেঙে ফেললে নবীজি (সা.) তাদের বলেছিলেন, তোমরা এই রোজার পরিবর্তে আরেক দিন রোজা রাখো এবং পুনরায় এমন করো না। (আল ইখতিয়ার লিতা’লীলিল মুখতার: ১/৬৬)

এমএম