[b]বেইজিং:[/b] এতো দিন গতির রাজা ছিল সুপারসনিক বিমান। কিন্তু চীন এবার প্রবেশ করল হাইপারসনিক বিমানের যুগে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াও এ বিমান তৈরীর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত চীনই প্রথম হাইপারসনিরক বিমানে সফল পরীক্ষা করেছে।
হাইপারসনিক বলতে শব্দের গতির ৫ গুন গতি সম্পন্ন বিমানকে বুঝায়। শব্দের গতি ঘণ্টায় ১ হাজার ২৩৪ কিলোমিটার বা ৭৬৭ মাইল।
চীনের হাইপারসনিক বিমান মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করতে সক্ষম হবে।
চীনের তৈরি এই নতুন ‘‘হাইপারসনিক গ্লাইড ভি’কেল’’ (এইচজিভি) গত নয়ই জানুয়ারি দেশটির মধ্যে পরীক্ষা করা হয় এবং ‘ডাবলিওইউ-১৪’ নামের এই বিমান সর্বোচ্চ গতির এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে বলেও পেন্টাগনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
চীন ছাড়াও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপক হাইপারসনিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে আমেরিকা,ভারত ও রাশিয়া। লক্ষ্যবস্তুর ওপর নিখুঁতভাবে আঘাত হানা,দ্রুত অস্ত্র সরবরাহ এবং শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস ও মহাশুন্য-প্রতিরক্ষা এই কর্মসূচীর কিছু লক্ষ্য। প্রচলিত মধ্য-কোর্সের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোকাবেলার জন্য এই গ্লাইড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার বিকাশ ঘটছে বলে মার্কিন বিমান বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মার্ক স্ট্রোক মন্তব্য করেছেন।
চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করার লক্ষ্যে বিশ্বের সেরা সামরিক শক্তি হওয়ার চেষ্টা করছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও হাইপারসনিক গবেষণার চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্র-ভিত্তিক এমন বিমান নির্মাণের কাজ করে যাচ্ছে যার গতি হবে ঘণ্টায় ১৩ হাজার মাইল।
মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী একই ধরনের গবেষণায় রাশিয়াও পিছিয়ে নেই। দেশটি নতুন ধরনের হাইপারসনিক বিমান তৈরির চেষ্টা করছে যাতে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যূহ ভেদ করা যায়।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
হাইপারসনিক যুদ্ধ বিমান: যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে চীন এগিয়ে
বেইজিং: এতো দিন গতির রাজা ছিল সুপারসনিক বিমান। কিন্তু চীন এবার প্রবেশ করল হাইপারসনিক বিমানের যুগে। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়াও এ বিমান তৈরীর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত চীনই প্রথম হাইপারসনিরক বিমানে সফল পরীক্ষা করেছে।





